সুবিশাল গ্রহাণু ছু’টে আ’স’ছে পৃথিবীর দি’কে! আ’কা’রে তাজমহলের প্রায় ৩ গু’ণ ব’ড়ো

আরো একবার পৃথিবীর কাছ দিয়ে চলে যাবে একটি গ্রহাণু। তবে এবারের গ্রহাণুর আয়তন বেশ খানিকটা বড়। যে বিশাল গ্রহাণুটি পৃথিবীর পাশ দিয়ে চলে যাবে তার আয়তন প্রায় তাজমহলের তিনগুণ। ইতিমধ্যেই নাসার তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে, আগামী ২৫ শে জুলাই পৃথিবীর গা ঘেঁষে চলে যাবে এই গ্রহাণুটি। রাত তিনটে নাগাদ পৃথিবীর পাশ দিয়ে যেতে দেখা যাবে এই গ্রহাণুটি কে, সেই সময় পৃথিবী থেকে তার দূরত্ব থাকবে প্রায় ৪.৭ মিলিয়ন কিলোমিটার।

পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব ঠিক যতখানি, তার থেকে আরো ১২ গুণ দূর থেকে যাবে এই গ্রহাণুটি। কিন্তু তারপরেও এই গ্রহাণুটি কে পৃথিবীর কাছাকাছি থাকা বস্তু হিসেবে ধরা হচ্ছে। জ্যোতিষ বিজ্ঞানীদের ভাষায়, ১৯৪ মিলিয়ন কিলোমিটার দূরত্বে থাকা সত্ত্বেও কোন বস্তুকে নিয়ার আর্থ অবজেক্ট হিসেবে ধরা যেতে পারে। সেই ক্ষেত্রে গ্রহাণুটি অনেকটাই কাছে চলে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।

তবে এই গ্রহাণুটি পৃথিবীর পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় পৃথিবীতে কোন আঘাত আসবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। নিরাপদ ভাবে তা পৃথিবীর পাশ দিয়ে চলে যাবে, যদিও অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে নাসাকে। যেকোনো সময় এই সমস্ত গ্রহাণু অন্য গ্রহের মাধ্যাকর্ষণ শক্তির মাধ্যমে দিক পরিবর্তন করতে পারে। তাই গ্রহাণুটি কি আগে থেকেই পর্যবেক্ষণ করে রাখছেন নাসা।

তবে ইতিমধ্যেই নাসা একটি গ্রহ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করেছে যা, এই সমস্ত বিপদজনক গ্রহাণু গুলিকে অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিতে সক্ষম হয়। নভেম্বরে নাসা ডবল স্টেরয়েড রিডাকশন টেস্ট মিশন একটি মহাকাশযান পাঠাবেন যার মাধ্যমে গ্রহাণু গুলি যদি নিজের কক্ষপথে পরিবর্তন করতে চায়, তাহলে সেগুলিকে আবার নির্দিষ্ট কক্ষপথে ফিরিয়ে আনা যাবে। আর এই মিশন যদি একবার সফল হয়ে যায় তাহলে, সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম বস্তু থেকে পৃথিবী কে রক্ষা করা যাবে। নিঃসন্দেহে এর ফলে পৃথিবীর সুরক্ষা আরো কিছুটা বেড়ে যাবে।