দেশ কিভাবে হ’বে আনলক? ন’তু’ন গাইডলাইন তৈ’রি করলো কেন্দ্র

আরো একবার দ্বিতীয় ঢেউ আমাদের ভারত বর্ষ থেকে চলে যাচ্ছে। তবে গত বছরের মতো এই বছর আনন্দ-উন্মাদনা তে মেতে উঠছেন না ভারতবাসী। গত বছর থেকে শিক্ষা নিয়েছে ভারতবাসী। আগাম তৃতীয় ঢেউয়ের অপেক্ষায় রয়েছে মানুষ। তাই আগে থেকেই এবার সমস্ত প্রস্তুতি সেরে ফেলতে চাইছে প্রশাসন থেকে সাধারণ মানুষ। এবার আনলক নিয়ে বড়োসড়ো সিদ্ধান্ত ঘোষণা করল কেন্দ্র। এক সপ্তাহ ধরে পজিটিভিটি ১৫ শতাংশের কম এবং মোট জনসংখ্যার ৭০% টিকাকরণ হয়ে গেছে। সমস্ত নিয়ম বিধি পালন করতে হবে কড়াকড়িভাবে।

ভারতের মহামারী টাস্কফোর্সের সদস্য ডক্টর বলরাম মঙ্গলবার জানিয়েছেন যে, যে সমস্ত বাধানিষেধ আরোপ করা হয়েছে তা আস্তে আস্তে সরিয়ে দেওয়া হবে। দুটি জেলাকে সুনিশ্চিত করতে হবে যেন টিকাকরণ হয়ে যায় প্রত্যেক মানুষকে। একটু একটু করে সব কিছু স্বাভাবিক স্তরে আনতে হবে। তাই হঠাৎ করে এক্ষুনি বাধা-নিষেধ সম্পূর্ণভাবে তুলে দেওয়া যাবে না।

৩৪৪ জেলাতে ৫ শতাংশের কম সংক্রমণ রয়েছে। ৩০ টি রাজ্যে করোনাভাইরাস এর চিকিৎসাধিন সংখ্যা কমেছে। আস্তে আস্তে স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে যে, দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধাক্কা ক্রমশ হালকা হয়ে যাচ্ছে। পরিসংখ্যানে যদি নজর রাখা হয় তাহলে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে তাদের কাছে ২০০ -র কম জেলা ছিল। এই জেলাগুলিতে ১০ শতাংশ -র বেশি সংক্রমণ ছিল। এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে ৬০০ জেলায় ১০ শতাংশের বেশি পজিটিভ রেট ছিল। আজ দেশের ২৩৯ জেলায় ১০ শতাংশের অধিক সংক্রমণ রেট রয়েছে। ১৪৫টি জেলায় ৫ থেকে ১০ শতাংশ পজিটিভ রেট রয়েছে। ৩৫০ জেলায় ৫ শতাংশের কম পজিটিভ রেট রয়েছে।

এদিকে নীতি আয়োগ এর এক সদস্য জানিয়েছেন যে, জুন মাসে পরিস্থিতি অনেকটা উন্নত হবে। কিন্তু সমস্ত বাধা-নিষেধ যখন তুলে দেওয়া হবে তখন পরিস্থিতি কেমন হবে তা এখন চিন্তার বিষয়। কারণ মহামারী সম্পূর্ণভাবে নির্মূল হয়ে যায়নি। আগামীতেও শিশুদের জন্য কতখানি ক্ষতিকারক হতে চলেছে, সেই বিষয়ে উদ্বিগ্ন প্রশাসন।