জীবিতরা কিভাবে মৃত মানুষের কথা শুনতে পারেন! জানুন কি বলছে বিশেষজ্ঞরা

আমরা সাধারণত সে দিকেই বেশি আকৃষ্ট হই, যাদের আমরা সব সময় চোখের সামনে দেখতে পাই না। যে সমস্ত বস্তু আমাদের কাছে রহস্যজনক হয়, তাদের দিকে আকর্ষণ সর্বদা আমাদের বেশি।তার মধ্যে রয়েছে মহাজাগতিক যে কোন বস্তু থেকে শুরু করে ভৌতিক বস্তু। মানুষের মৃত্যুর পর কি হয়, সে কথা আমাদের সকলের অজানা। তবে মৃত্যুর পর আত্মা শরীর থেকে বেরিয়ে যায়, একথা আমরা সকলেই জানি।

তবে সেই আত্মা কোথায় যায় কী করে, সে সম্পর্কে কিন্তু আমরা কেউই ওয়াকিবহাল নই। তাই এই অজানা কথা জানার ইচ্ছা চিরকালই আমাদের থেকে যায়। আজকে এমন কিছু মানুষের কথা বলব যারা মৃত ব্যক্তির কথা শুনতে পান। কথাটা যেন মনে হলেও কিন্তু সত্যি।

প্ল্যানচেটে বসে মৃতদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন এমন কিছু মানুষ রয়েছেন আমাদের মধ্যে। তারা এই মৃত ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে আমাদের জানিয়ে দিতে পারেন মৃত ব্যক্তিদের কথা।এদের চলতি ভাষায় বলা হয়ে থাকে মিডিয়াম। অর্থাৎ ইহকাল এবং পরকাল এর মধ্যে যোগসূত্র তৈরি করে দিতে পারে এরা। অনেক সময় মৃতরা আমাদের কাউকে কিছু বলতে চাইলে, ইনাদের মারফত বলতে পারেন।

এই ব্যাপারটি কিভাবে হয়, সেই বিষয়ে ডারহাম ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা একটি সমীক্ষা চালিয়ে ছিলেন। এই সমীক্ষায় মিডিয়াম হয়েছিলেন ৬৫ জন। এবং সাধারণ মানুষ ছিলেন ১৪৩ জন। এই সমীক্ষায় ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীদের সঙ্গে যোগদান করেছিলেন স্পিরিতুয়ালিস্ট ন্যাশনাল ইউনিয়ন।

মিডিয়াম দের মধ্যে অনেকেই খুব ছোটবেলা থেকে মৃত ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলতে পারেন।বাকিরা বয়স হবার সঙ্গে সঙ্গে এই ক্ষমতার অধিকারী হয়েছেন। এই মানুষেরা সাধারণ মানুষের থেকে অনেকটাই অনুভূতিপ্রবণ হন। এনাদের চিন্তাভাবনার গভীরতা অনেকটাই বেশি। আমাদের থেকে এনাদের ভাবনাচিন্তা অনেকটাই এগিয়ে থাকে তাই এনারা মৃত মানুষের সাথে কথা বলতে পারেন।

এই সমীক্ষায় জানা গেছে যে, মিডিয়াম এর ৪৪ শতাংশ মানুষ প্রায় প্রতিদিন মৃত মানুষের কথা শুনেছেন। ৩৩ শতাংশ মানুষ শুনেছেন সমীক্ষার শেষ দিনে। চারিপাশ যখন একেবারে নিস্তব্ধ থাকে, তখন শোনা যায় তাদের কথা। কেউ সরাসরি শুনতে পান কেউ অথবা মাথার ভেতরে কণ্ঠস্বরের দ্বারা।