পুজোর মরশুমে হিট ক’রোনা শাড়ি, দাম অনেকটাই কম

কিছুদিনের মধ্যেই আছে চলেছে দুর্গাপূজা।করোনা ভাইরাসের আতঙ্ক কাটিয়েছে বাঙালি দুর্গা পুজোর আনন্দে মেতে উঠতে পারে তা কিছুদিন আগে কলকাতার শ্রীলেদার্সের একটি ছবি প্রমাণ করে দিয়েছে। কে বলে মানুষ মৃত্যুকে ভয় পায়,মানুষ মৃত্যুর আগে পর্যন্ত বাঁচার জন্য আকুল চেষ্টা করে যায়। বাঙালি এমনই একটি জাতি, যে কিনা করোনাভাইরাস এর মত মহামারী কেউ বুদ্ধির দ্বারা লাগিয়ে দিতে পারে যেকোনো কাজে। যেমন এবারে বিভিন্ন পূজা মন্ডপে আমরা দেখতে পাব করোনাভাইরাস কে।কলকাতার অনেক জায়গায় এবারের পুজোর থিম করোনাভাইরাস কে নিয়ে তৈরি করা হচ্ছে। তেমনইএবারের তাঁতের শাড়ি ডিজাইন এর স্থান পেয়েছে করোনাভাইরাস। হ্যাঁ ঠিকই শুনছেন।

প্রত্যেকবার যেমন কোন সিরিয়াল অথবা সিনেমার শাড়ির ডিজাইন বাজার হিট হয়ে যায়,তেমনই এবারে বাজার ছেয়ে যাচ্ছে করোনাভাইরাস ডিজাইনের শাড়ি। সেই শাড়ি কিনছেও বহু মানুষ। যে মহামারী একদিন মানুষের কাছ থেকে তার রুজি রোজগারের উপায় ছিনিয়ে নিয়েছিল, সেই মহামারী কি এবার কাজে লাগিয়ে আবার রুজি রোজগারের নতুন দিশা বানিয়ে ফেলল বাঙালি। শিল্পী এবং বিক্রেতারা জানিয়েছেন,বিশেষ ডিজাইনের শাড়ি গুলির দাম মধ্যবিত্তের নাগালে মধ্যে থাকায় চাহিদা বেশ বেড়ে যাচ্ছে। এমনকি ভিন রাজ্যের বাঙালি রাও সমানভাবে কিনছেন তাঁতের শাড়ি। মূলত তিন ধরনের ঘটনা শাড়ি তৈরি করছেন পূর্ব বর্ধমানের কালনার ধাত্রীগ্রামে। সেখানকার শিল্পী সুবোধ বসাক, রাজিব বসাক এবং পিন্টু বসাকরা এই শাড়ি তৈরি করছেন বেশি সংখ্যায়। তারা জানিয়েছেন যে, এই তিন রকমের শাড়ি বিক্রি হচ্ছে বেশি।

এই শাড়িগুলোর দাম শুরু হচ্ছে ৫০০ টাকা থেকে।প্রথম ধরনের শাড়ি তৈরি করা হচ্ছে ৬০ কাউন্ট সুতা দিয়ে কেরাল প্রিন্টেড ওপর হ্যান্ড ফেব্রিকে। দ্বিতীয় ধরনের শাড়িতে থাকছে মার্চ লাইট সুতোয় কোটা সিল্ক বা বাম্পার সিল্কের উপর বুটিকের কাজ। আর তৃতীয় ধরনের শাড়ি হচ্ছে ১০০ শতাংশ কটন দিয়ে হাতে বোনা টাঙ্গাইল শাড়ি। তার সঙ্গে থাকছে লকশা ফিতে পাড়। তিনটি রঙের বুটিক ব্যবহার করা হচ্ছে এই শাড়িতে। শাড়ির দাম সবথেকে কম। শাড়ির দাম ৫০০ থেকে ৬০০ টাকার মধ্যে। দ্বিতীয় প্রকার শাড়িগুলোর দাম রাখা হয়েছে ৮০০ টাকার মধ্যে। এবং তৃতীয় ধরনের শাড়ির দাম রাখা হয়েছে ১১০০ টাকা থেকে ১২০০ টাকার মধ্যে।