ব্যাংকের লকারে টাকা রেখেছেন? তবে এখনই অবলম্বন করুন সাবধানতা! রইলো ভিডিও

সাধারণ মানুষ তাদের কষ্টার্জিত অর্থ ও সোনা দানা এতদিন পর্যন্ত ব্যাংকের লকারে সুরক্ষিতভাবে রেখে এসেছে। স্বাভাবিকভাবেই বাড়িতে থেকেও এই সমস্ত জিনিসে দেখভাল করা আজকাল একেবারে কষ্টসাধ্য। তাই ব্যাংকের লকার সবথেকে বেশি সুরক্ষিত বলেই মনে করা হতো এতদিন। কিন্তু সম্প্রতি একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে, যা দেখে সত্যিই অবাক হতে হয়। তাই আপনিও যদি ব্যাংকের লকার ব্যবহার করে থাকেন তাহলে এখন থেকেই সাবধান হয়ে যান, সম্প্রতি যে ভিডিওটি প্রকাশ এসেছে সেটা নিমিষেই ভাইরাল হয়ে গেছে, এখানে দেখা যাচ্ছে ব্যাংকের লকার এখন নেই আর সুরক্ষিত।

কারণ গুজরাটের ভাদোদরার একটি ব্যাংকের ঘটনা চোখ খুলে দিয়েছে সবার। ব্যাঙ্ক অফ বরোদা একটি শাখা যেখানে একজন ব্যক্তি তার লকারে ২ লক্ষ ২০ হাজার টাকা সুরক্ষিত ভাবেই রেখেছিলেন, কিন্তু কয়েক মাস পর এলাকার খুলতেই এ কি অবস্থা? তার কষ্টার্জিত জমানো পুঁজি আর নেই সব খেয়ে ফেলেছে পোকায়।

স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনার পরে সবকিছুর জন্য ব্যাংককেই দোষারোপ করছে সেই ব্যক্তি। বিশেষ করে সংবাদমাধ্যম সূত্র এ ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় আরো বেশি চাপের মধ্যে ব্যাংক। কিন্তু আর বি আই এর নিয়ম অনুযায়ী কোন ব্যক্তির লকারে রাখার জিনিসপত্রের উপর ব্যাংক দায়বদ্ধ নয়, এই ঘটনার কারণে ব্যাংক কোনভাবেই দোষী নয়। লকারে রাখার জিনিস যদি কোনদিন চুরি ছিনতাই এমনকি অন্য কোন ঘটনা ঘটে এর জন্য কখনোই ব্যাংকে দোষারোপ করা যাবে না।

উল্লেখ্য, প্রতিবছর ব্যাংক তাদের বিভিন্ন গ্রাহকের কাছ থেকে লকারের ভাড়া আদায় করে থাকে। বিভিন্ন ব্যাংকের লকারে ভাড়া বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। বিশেষ করে সরকারি ব্যাংকের তুলনায় বেসরকারি ব্যাংকের লকারে ভাড়া অনেকটাই বেশি। তাছাড়া লকারের আয়তন ও ব্রাঞ্চ এর উপর নির্ভর করেই লকারের ভাড়া নির্ধারণ করা হয়। জিএসটি সহ ১০০০ থেকে ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত লকারের ভাড়া হয়ে থাকে সরকারি ব্যাংকের, এদিকে বেসরকারি ব্যাংকের লকারের ভাড়া হয়ে থাকে বার্ষিক ১৫,০০০ থেকে ২২,০০০টাকা। কিন্তু সেই ব্যক্তির যে লোকসান হয়েছে, সেই লোকসান পূরণ করার দায়ভার ব্যাঙ্ক নেবে কিনা সেটাই প্রশ্ন।