তারাপীঠেই গড়ে উঠবে “হরিদ্বার”, দ্বারকা নদের পাড়ে সেজে উঠছে ঘাট, জ্বলবে শয়ে শয়ে সন্ধ্যা প্রদীপ

তারাপীঠ, মায়ের সেই পবিত্র মন্দির, যেখানে মায়ের একবার দর্শন পাবার জন্য দূর দূর থেকে মানুষ ভিড় জমান। যেখানে সাধক বামাক্ষ্যাপা র গল্প ছড়িয়ে আছে আনাচে কানাচে। যেখানে রয়েছে মহাশ্মশান, সেখানে গেলে মন যেন এক অদ্ভূত আনন্দে ভরে যায়। মায়ের আরতির সঙ্গে সঙ্গে মনের মধ্যে বেজে ওঠে শ্রদ্ধা এবং ভক্তি র সুর। তারাপীঠ এবং হরিদ্দার দুটো একেবারেই আলাদা তীর্থস্থান। হরিদ্বারের রয়েছে মহাদেব এবং অন্যান্য দেব দেবতার মন্দির। হরিদ্বারের বিভিন্ন ঘাটে স্নান করে মানুষ পূণ্য অর্জন করেন। আমাদের হাতের কাছে তারাপীঠ থাকলেও, অনেক মানুষ শারীরিক অক্ষমতা এবং আর্থিক অক্ষমতার জন্য হরিদ্দার গিয়ে উঠতে পারেন না। তবে তাদের জন্য আর চিন্তার কোন কারণ নেই।

এবার আর কষ্ট করে কাউকে হরিদ্বার যেতে হবে না।হরিদ্দার এর বিখ্যাত গঙ্গা ঘাট গুলির আদলে সেজে উঠতে চলেছে তারাপীঠের দ্বারকার পাড়। ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে সেই গঠনমূলক কাজ। দারোকা নদীর পাড়ে শুরু হয়ে গেছে সন্ধ্যা আরতির ব্যবস্থা। আর কিছুদিনের মধ্যেই আমরা তারাপীঠ এর মধ্যেই দেখতে পাবো হরিদ্দার এর ছোঁয়া। তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদ মন্দির এবং ঘাট সৌন্দর্য নিয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছেন। একইসঙ্গে তারাপীঠ এ আমরা দেখতে পাব মা তারা এবং গঙ্গার কামিনী রূপকে।

বিশেষত পর্যটকদের জন্য এই ঘাটের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক জায়গা হতে চলেছে আমাদের এই তারাপীঠ, এমনটাই দাবি করেছেন মন্দির কমিটি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, প্রায় কয়েক মাস লকডাউন এর কারণে বন্ধ ছিল তারাপীঠ চত্বর।শুধুমাত্র মায়ের সেবা করা ছাড়া আর কোনো কাজই হচ্ছিলোনা তারাপীঠ মন্দিরে। বাইরে জনগণের প্রবেশ নিষেধ ছিল তারাপীঠ মন্দির চত্বরে। তবে আজ আবার জনগণ আস্তে আস্তে প্রবেশ করছে মন্দির চত্বরে। আবা সেজে উঠছে মায়ের মহামায়া রূপ। তার সঙ্গে এবার পর্যটকরা উপরি পাওনা হিসেবে পাবে হরিদ্দার এর ছোঁয়া।