ঈশ্বরের দান!, হাত ও পা ছাড়াই তরুণীর কোল আলো করলো কন্যা সন্তান, সম্পূর্ণ সুস্থ সদ্যোজাত

সদ্যজাত শিশুদের নিয়ে এর আগেও অনেক রকম খবর পাওয়া গেছে। কোন সদ্যজাত বেশি ওজন, কারবা কম। কারোর মাথা বড়, কারোর আবার হাত পা অস্বাভাবিক ছোট। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এরকম শিশুর জন্মের খবর বহুবার শোনা গেছে, এমনই আরেকটি সদ্যজাত জন্ম হলো মধ্যপ্রদেশে। এক তরুণী সন্তান জন্মের পর দেখা গেল তার হাত এবং পা নেই।তবে সৌভাগ্যবশত হাত পা না থাকা সত্বেও সদ্যজাত ওই মেয়েটি সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের বিদিশা জেলার প্রত্যন্ত গ্রামে। বাড়িতেই জন্ম হয়েছিল ওই শিশুর। ২৮ বছরের ওই তরুণী নরমাল ডেলিভারি করা হয়েছিল।সিরঞ্জ এর ব্লক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার জানিয়েছেন, “সদ্যজাত এর ব্যাপারে জানার পরেই তার জন্য সাহায্য পাঠিয়ে ছিলাম আমি। তাদের বাড়িতে একজন নার্স এবং আশা কর্মী কেও পাঠানো হয়েছিল। সদ্যজাত এর বাবা মাকে অনেক বুঝিয়ে বাচ্চাটিকে হাসপাতলে ভর্তি করানোর কথা বলি।

কিন্তু তারা কোনোভাবেই হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করাতে চাইছেন না”।সদ্যজাত এর বাবা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন,”আমার কন্যা সম্পূর্ণ সুস্থ আছে। তাই তাকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করানোর কোন প্রয়োজন নেই”, চিকিৎসকদের মতে,”অনেক সময় প্রিম্যাচিওর বেবি হলে এমন হতে পারে। শিশুর গর্ভাবস্থায় শেষ এক মাস এ সব থেকে বেশি শরীরের বৃদ্ধি হয়। কেউ যদি সময়ের আগে জন্ম নিয়ে ফেলে, তখন তার হাত-পা যথাযথ বিকাশ হতে পারে না।কিন্তু হৃদপিণ্ড ফুসফুস সবকিছু স্বাভাবিক থাকায় শিশুটির শারীরিক দিক থেকে কোন সমস্যা হয়না।

অন্যান্য শিশুদের মতোই বিকাশ হয় এই শিশুদের”।কেন এমনটা হতে পারে এই প্রশ্নের উত্তরে চিকিৎসকরা বলেছেন,”গর্ভবতী অবস্থায় যদি পেটে কোন আঘাত লাগে, তাহলে গর্ভস্থ শিশুটির সমস্ত শরীরের বিকাশ সমানভাবে হয়না।ফলে শিশুদের হাত পা ছোট বা না হবার সম্ভাবনা থেকে যায়। কিন্তু অভ্যন্তরীণ শারীরিক কোনো ক্ষতি হয় না এর ফলে”। পরবর্তীকালে যথাযথ অস্ত্রোপচারের দ্বারা এটি ঠিক হয়ে যাবে বলে মনে করেন চিকিৎসকরা।