রিয়ার সাথে ওঠাবসা, মেয়ের বয়সী অভিনেত্রীদের সঙ্গে সম্পর্ক, জানুন মহেশ ভাটের আসল সত্য

সুশান্তর মৃত্যুর পর থেকেই পরিচালকের সারি থেকে একটি নাম সব সময় তালিকার শীর্ষে রয়েছেন, তিনি আর কেউ না মহেশ ভাট।সুশান্ত এর মৃত্যুর পরে এই পরিচালকের প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ প্রভাব আছে বলেই মনে করছেন পুলিশ থেকে নেটিজেন প্রত্যেকে। জেনে নেওয়া যাক এই বিখ্যাত পরিচালক এর জীবন কথা।তিনি ছোটবেলা থেকেই দেখতেন তাদের বাড়িতে যখনই তার বাবা আসতেন, মা এবং তাদের দুই ভাইয়ের সঙ্গে বেশিক্ষণ থাকতেন না তার বাবা। দেখা করতে আসার পরেই যেন বাড়ি ফেরার তাড়া থাকতো তার। মা সবসময় বলতেন যে বাবার অন্য আরেকটি সংসার আছে।

তখন এই কথার অর্থ বোধগম্য হত না মহেশের। কৈশোরে পৌঁছে তিনি জানতে পেরেছিলেন যে, তিনি তার বাবা-মায়ের লাভ চাইল্ড। বাবা মায়ের মধ্যে কোন বৈবাহিক সম্পর্ক ছিল না। নিজেকে কখনো লাভ চাইলে বলতে কুণ্ঠাবোধ করেননি মহেশ ভাট।স্কুল জীবন থেকেই ছোটখাটো কাজ করতে শুরু করেছিলেন মহেশ। জীবনে সংগ্রামের পাশাপাশি এসেছিল প্রেম।লোরেন ব্রাইট নামে এক কিশোরী পড়তেন মুম্বাইয়ের এক অনাথ আশ্রমের স্কুলে। ডন বসকো স্কুলে পড়াকালীন পাঁচিল ডিঙিয়ে প্রেওশি লোরেনের সঙ্গে দেখা করতে যেতেন স্কুলপড়ুয়া মহেশ।

এখানে ক্লিক করে দেখুন ভিডিও:https://www.facebook.com/116191073101318/videos/337260307307739/

মহেশ ভাট বিজ্ঞাপন তৈরির কাজ শুরু করেছিলেন ততদিনে, বছর কুড়ি পর হতেই তিনি বিয়ে করে ফেলেন তার প্রেমিকাকে।বিয়ের পর লোরেন নাম পাল্টে হয়ে গেলেন কিরণ ভট্ট। মহেশ প্রথম ২১ বছর বয়সে পিতৃত্বের স্বাদ পেলেন। পূজা জন্ম নেবার পর বিজ্ঞাপন তৈরি উপার্জনে সংসার তাদের আর চলছিল না। মহেশ পরিচালক রাজকুমারের কাছে গিয়ে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ শুরু করলেন। প্রথমদিকে ছবিগুলি ব্যর্থ হয়ে গেল।সংসারেও তিক্ততা বাড়তে বাড়তে স্ত্রী র সাথে দূরত্ব বেড়ে গেল পারভিন ববির আগমনে।

মানসিক অস্থিরতায় শিকার পারভীন এবং মহেশের প্রেম গোপন ছিল না কারোর কাছে। কিন্তু এর ফলে পরিনাম হয়ে গেল আরও ভয়ঙ্কর। পারভিন আরো বেশি মানসিক রোগে ডুবে যান এবং মহেশ মাদকের দ্বারা পরিস্থিতি থেকে বেরোনোর নিষ্কৃতি খুঁজতেন। ১৯৭৮ সালের মহেশের বেশ পরপর কিছু সিনেমা রিলিজের পর বলিউডে নিজের জায়গা মজবুত করেছিলেন মহেশ। ১৯৯০ সালে মুক্তি পাওয়া আশিকি সিনেমা দিয়ে। অর্থ উপার্জনের সফল হবার পর প্রথম স্ত্রী কিরনের কাছে ফিরে গিয়েছিলেন মহেশ।কয়েক বছর সংসার করার পর,ছেলে রাহুলের জন্মের পর ফের অভিনেত্রী সোনি রাজদানের সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন তিনি। তার প্রথম স্ত্রী কিরণ এর দুই সন্তান পূজা এবং রাহুল দুজনেই অভিনেতা, দ্বিতীয় পক্ষের সন্তান আলিয়া বলিউডের প্রথম সারির নায়িকা।

সর্বদাই বিতর্কে শিরোনামে থাকা পছন্দ করেন তিনি।বহু বছর আগে নিজের মেয়ে পূজার সাথে লিপ লক কিস, বা হালে রিহা চক্রবর্তীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ পুরুষ হিসেবে তার নাম উঠে আসা কোন কিছুই তার গতি রুদ্ধ করতে পারেনি।তার সম্পর্কে বহু বিতর্কের মধ্যে সবথেকে বড় বিতর্ক ছিল এই যে, সব সময় সংবাদ মাধ্যমে এমন খবর বেরোয় যে আলিয়া ভাট মহেশ ভাট আর পূজা ভাটের মেয়ে।এছাড়াও জিয়া খানের সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন মহেশ ভাট। জীবনে কখনোই প্রেমের অভাব ছিলোনা মহেশ ভাটের। একের পর এক নারীর টানে জড়িয়ে গেছেন তিনি।

সব খবর সরাসরি পড়তে আমাদের WhatsApp  Telegram  Facebook Group যুক্ত হতে ক্লিক করুন