এবার থেকে ঘুরতে যেতে চাইলেও লাগবে “ভ্যা’ক’সি’ন পাসপোর্ট”! জেনে নিন কি করতে হবে

প্রায় এক বছর হতে চললো করোনা নিয়ে কার্যত সংসার করতে হচ্ছে মানুষকে। খাওয়া-দাওয়া, ঘোরাফেরা, নিত্যপ্রয়োজনীয় যাবতীয় কাজ এখন রীতিমতো করোনাকে সঙ্গী করেই সারতে হচ্ছে। তবে তার মাঝেও সরকার এবং স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফ থেকে নির্ধারিত স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিধি নিষেধ মেনে সুস্থ থাকার প্রয়াস চালিয়ে যেতে হবে। কারণ করোনা প্রতিরোধী টিকা মিলছে এখনো বেশ কিছুদিন দেরি রয়েছে।

করোনার জন্য আপাতত দূরে কোথাও ঘুরতে যাওয়া প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে। নিত্য প্রয়োজনীয় কাজ সারতে যেটুকু প্রয়োজন ঠিক ততটাই বেরোচ্ছেন মানুষ। মানুষের আশা খুব তাড়াতাড়িই সুস্থ হয়ে উঠবে এই পৃথিবী। তখন আবারও প্রকৃতির সৌন্দর্য দুচোখ ভরে অনুভব করা যাবে। তবে করোনার ছাপ কিন্তু আগামী বেশ কয়েক বছরের জন্য মানবজীবনে থেকেই যাচ্ছে।

বিশিষ্ট সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, আগামী বেশ কয়েকদিনের জন্য মানুষের সঙ্গে হতে চলেছে এমন কিছু ভ্যাকসিন পাসপোর্ট অ্যাপ্লিকেশন যা সাধারণ মানুষের খুঁটিনাটি তথ্য নিজের সংগ্রহে রাখবে। দূরদূরান্তের ক্ষেত্রেই শুধু নয়, নিদেনপক্ষে কেউ যদি কোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান মঞ্চে অথবা সিনেমা হলে অথবা অফিস কাছারিতেও যাতায়াত করেন, সেখানেও তাদের এই ভ্যাকসিন পাসপোর্ট থাকা বাধ্যতামূলক।

এই ভ্যাকসিন পাসপোর্ট আসলে একটি ডিজিটাল হেলথ পাস যা প্রত্যেক মানুষের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাওয়ার ছাড়পত্র প্রদান করবে। এখানে কোন ব্যক্তি করোনা সংক্রমিত কিনা, টিকা নিয়েছেন কিনা, টিকা নিলেও শেষ কবে টিকা নিয়েছেন সে সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য আপলোড করা থাকবে।আইবিএম, কম ট্রাস্ট নেটওয়ার্কের মতো সংস্থা গুল ইতিমধ্যেই এই ডিজিটাল হেলথ পাস প্রদানকারী অ্যাপ্লিকেশন বানাতে শুরু করে দিয়েছে। অতএব এরপর থেকে বেরোনোর সঙ্গী হিসেবে প্রত্যেক ভ্রমণকারীর স্মার্টফোনে এই অ্যাপ্লিকেশনগুলি থাকা বাধ্যতামূলক করা হতে পারে।