পদ্ম থে’কে ঘাসফুলে মুকুল, স’ঙ্গী ছে’লে শুভ্রাংশু

অবশেষে সমস্ত জল্পনার অবসান হলো। ঘরে ফিরলেন ঘরের ছেলেরা! মুকুল রায় এবং তার পুত্র শুভ্রাংশু রায় আনুষ্ঠানিকভাবেই তৃণমূল শিবিরের অন্তর্ভুক্ত হলেন আজ। প্রায় চার বছর পর আবার তৃণমূল শিবিরের সদস্য হলেন মুকুল রায়। বিজেপি সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুল রায় আজ আনুষ্ঠানিকভাবেই তৃণমূল শিবিরের দলীয় পতাকা হাতে তুলে নিলেন। একদিনে পিতা-পুত্রের বিজেপি পরিত্যাগ এবং তৃণমূল শিবিরে ফেরাকে যথেষ্ট গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছে রাজনৈতিক মহল।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি শিবিরে পা বাড়িয়ে ছিলেন মুকুল রায়। কৈলাস বিজয়বর্গীয়ের নেতৃত্বে তিনি তখন গেরুয়া পতাকা হাতে তুলে নেন। মুকুল রায়ের সঙ্গে তখন দল ছেড়েছিলেন তার অনুগামীরা। রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন উঠেছিল, নারদ কান্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন মুকুল রায়। তবে নারদ কান্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার পরেও কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে মানুষের সমর্থনের ভোটে জিতে ছিলেন মুকুল রায়।

তবে পরবর্তী ক্ষেত্রে তিনি তৃণমূল শিবির ছেড়ে বিজেপি শিবিরের দিকে পা বাড়ান। রাজনৈতিক মহলে তখন গুঞ্জন উঠেছিল যে, পুরোনো সেই নারদ কান্ডকে হাতিয়ার করেই নাকি মুকুল রায়ের উপর রাজনৈতিকভাবে চাপ বৃদ্ধি করা হয়েছিল। তবে আবার ঘরের ছেলে ঘরেই ফিরে এলেন। তবে একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই মুকুল রায় এবং তার পুত্র শুভ্রাংশু রায়ের অবস্থান বদলে যেতে থাকে। বিজেপির বিরুদ্ধে সুর চড়াতে শুরু করেন শুভ্রাংশু রায়।

এরপর শোনা যায় মুকুল রায় এবং বিজেপি শিবিরের অন্যান্য সদস্যরা নাকি গোপনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। আজ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আয়োজিত সাংগঠনিক বৈঠকে উপস্থিত হন মুকুল রায় এবং শুভ্রাংশু রায়। এর পরেই তারা তৃণমূল ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূলের সদস্যপদ গ্রহণ করেন।