চাকরি-ব্যবসায় সমস্যা দূর করতে দেবীপক্ষে এই নিয়ম পালন করুন

আজ তৃতীয়া। শনিবার থেকেই দেবীপক্ষের সূচনা হয়ে গেছে। আর কিছুদিনের মধ্যেই শুরু হয়ে যেতে চলেছে দুর্গাপূজা। মহামারীর সমস্ত চিন্তা কে দূরে সরিয়ে রেখে আপামর বাঙালি মেতে উঠবে আনন্দে। বাংলাদেশের পাশাপাশি মহারাষ্ট্র ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে নবরাত্রি। নবরাত্রি দ্বিতীয় দিন পুজো করা হয় মা ব্রহ্মচারিণী কে। মা ব্রহ্মচারিণী কে উপাসনা, তপস্যা, শক্তি, পূণ্য, ত্যাগ, আত্ম নিয়ন্ত্রণের কারণ হিসেবে বর্ণনা করা হয়। একইসঙ্গে মা ব্রহ্মচারিণী ধ্বংস করেন শত্রুদের। সমস্ত অশুভ গ্রহ তে দূর করে দিয়ে মানুষের জীবনে সুখ

মা ব্রহ্মচারিণী মঙ্গল কে নিয়ন্ত্রন করার ক্ষমতা রাখেন। যদি কোন জাতক অথবা জাতিকার ক্ষেত্রে মঙ্গল অশুভ থাকে, তাহলে সেই ব্যক্তি ক্ষুব্ধ হন। রাগের কারণে অনেক সময় সেই ব্যক্তি নিজেকে আহত করে দেয়। এতটা হিংস্র হয়ে ওঠে সেই ব্যক্তি, যার ফলে তার বন্ধু এবং আত্মীয়-স্বজন সেই ব্যক্তিকে ত্যাগ করে। মঙ্গল অশুভ হবার মানুষের জীবনে নেমে আসে বিভিন্ন দুর্দশা। আইনি জটিলতা এবং মামলা-মোকদ্দমায় জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।

মঙ্গল অশুভ হবার কারণে প্রতিটি কাজের ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি হয়। অশুভ মঙ্গল চাকরি পরিবর্তন আনতে পারে। চাকরিতে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে বলে বিরোধের পরিস্থিতি তৈরি করে। শুধুমাত্র চাকরি নয়, জাতক অথবা জাতিকার ব্যবসায় বিশাল ক্ষতি করতে পারে মঙ্গল। কোন মানুষ যদি মঙ্গলা শুভ হয় তাহলে তার ক্ষেত্রে পড়াশোনা তে বাধা সৃষ্টি হতে পারে। এই সমস্যাগুলি কাটিয়ে ওঠার জন্য অবিলম্বে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।

তাই যে সমস্ত জাতক-জাতিকার মঙ্গল অশুভ হয়, তাদের উচিত দেবীপক্ষে মা ব্রহ্মচারিণী র পুজো করা। নবরাত্রি দ্বিতীয় দিন মা ব্রহ্মচারিণী কে যদি আপনি পুজো উৎসর্গ করতে পারেন, তাহলে আপনার জীবন থেকে সমস্ত দুঃখ এবং দুর্দশা দূর হয়ে যাবে। মা ব্রহ্মচারিণী পরিচ্ছনতা বেশি পছন্দ করেন। তাই পুজো করার সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে বিশেষ করে নজর দেবেন।