দোল পূর্ণিমাতে এই নিয়ম গুলো পালন করুন নিষ্ঠা সহকারে, দূর হবে অভাব

প্রতিবছরের চৈত্র মাসের ফাল্গুনী পূর্ণিমা তিথি দোল পূর্ণিমার তিথি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। পশ্চিমবঙ্গ এবং উড়িষ্যাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এদিন দোল উৎসব পালন করা হয়। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে এই দিনটির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী, দোল পূর্ণিমা তিথিতে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বৃন্দাবনে গোপীদের সঙ্গে দোলযাত্রা উৎসবে মেতে উঠেছিলেন। এই উৎসব রাধা এবং কৃষ্ণের মিলনের উৎসব।

এই বিশ্বাস থেকেই প্রতিবছর ফাল্গুনী পূর্ণিমায় রাধা-কৃষ্ণের আরাধনা মেতে ওঠেন সনাতন ধর্মে বিশ্বাসীরা। আজও প্রতি বছরের ফাল্গুনী পূর্ণিমার রাতে ন্যাড়া পোড়ানোর উৎসব পালন করা হয়। আগামী ১৪ চৈত্র ১৪২৭ সালে অর্থাৎ ইংরেজির ২৮ মার্চ ২০২১ রবিবার, হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা দোলযাত্রা উৎসব পালন করবেন। পরের দিন অর্থাৎ সোমবার দেশ জুড়ে পালিত হবে হোলি উৎসব।

ফাল্গুনী পূর্ণিমার এই পবিত্র তিথিতে ভক্তিভরে ইষ্ট দেবতার আরাধনা করলে এবং পূর্ণিমার ব্রত পালন করলে সকল মনোবাঞ্ছা পূরণ হয়। এই তিথিতে ভক্তিভরে রাধা গোবিন্দের পূজা করলে সংসারের যাবতীয় বাধা-বিপত্তি, আর্থিক সমস্যা দূর হয়। ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে উল্লিখিত আছে, এই পবিত্র তিথিতে ভক্তিভরে শ্রীকৃষ্ণের স্মরণ করলে ভগবান তার ভক্তদের ডাকে সাড়া দেন।

এই দিনে কোনো দুস্থ ব্যক্তিকে কোনও কিছু দান করলে তা দাতাকে শুভ ফল দান করে বলেই বিশ্বাস করা হয়। এই দিন বাড়িতে অবস্থিত তুলসী মঞ্চে ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালিয়ে ইষ্ট দেবতাকে আরাধনা করুন। তার উদ্দেশ্যে সিন্নি উৎসর্গ করুন। স্নান করে শুচী হয়ে শুদ্ধ মনে দেবতার চরণে আবির দিন এবং মনের সকল ইচ্ছা তাঁর চরণে অর্পণ করুন। তাহলে তাঁর কৃপাবলে অচিরেই সংসারের সকল বাধা দূর হবে। ভক্তের সকল মনস্কামনা পূরণ করবেন ভগবান।