লা’ই’সে’ন্স ছাড়াই ড্রোন ওড়াচ্ছেন? ধ’রা পড়লে ৫ লক্ষ টা’কা জ’রি’মা’না! জানুন ব্যবহারের নি’য়’ম

উন্নত প্রযুক্তির এই দুনিয়ায় প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে মানুষ অনেক কঠিন কাজকে সহজ করে তুলেছে। প্রযুক্তির দুনিয়ার এক অত্যন্ত অভিনব আবিষ্কার হল ড্রোন আবিষ্কার। ড্রোনকে কাজে লাগিয়ে সুরক্ষা, নিরাপত্তা থেকে শুরু করে ফটোগ্রাফি, ট্রাফিক আইন সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয়ে নজরদারি থেকে শুরু করে বিয়েবাড়িতে ফটো তোলা, সবই ড্রোনের মাধ্যমে সম্ভব। একাধিক ই-কমার্স সাইট তো আবার ড্রোন ব্যবহার করে দ্রব্য সামগ্রী গ্রাহকের দরবারে ডেলিভারির ব্যবস্থাও করছে!

তবে জানেন কি ড্রোন ব্যবহার করার নির্দিষ্ট কিছু পদ্ধতি রয়েছে? নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম কানুনের উর্দ্ধে উঠে যদি ড্রোনের ব্যবহার করেন সেক্ষেত্রে আপনাকে শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে। কী ড্রোন ওড়ানো হচ্ছে এবং সেই ড্রোনের সঙ্গে কী ধরনের অনুমতি নেওয়া হয়েছে, তার ওপর ভিত্তি করেই কার্যত ড্রোন ওড়ানোর অনুমতি দেওয়া হয়। 250 g কম ওজনের ড্রোন অর্থাৎ ন্যানো ড্রোন ওড়ানোর ক্ষেত্রে কিন্তু বিশেষ কোনো অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন হয় না।

250 g থেকে 2 kg ওজনের ড্রোনগুলিকে বলা হয় মাইক্রো ড্রোন। এই ড্রোন উড়ানোর জন্য UAS Operator Permit-I (UAOP-I) এর প্রয়োজন হয়। ড্রোন উড়ানোর সময় অবশ্যই DGCA-র Standard Operating Procedure (SOP) মানতে হয়। তার সঙ্গে অবশ্যই এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল ও সামরিক বিভাগের ছাড়পত্র নিতে হবে। এছাড়াও সুরক্ষিত অপারেশনের জন্য মানতে হবে Safety Management System (SMS)।

UAOP-II হোল্ডাররাও মাইক্রো ও স্মল ড্রোন উড়াতে পারবেন ঠিকই তবে সে ক্ষেত্রে DGCA-র ছাড়পত্র লাগবে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, UAOP-I ও UAOP-II-এর বৈধতা থাকে 10 বছর। ড্রোন উড়ানোর ক্ষেত্রে পাইলট লাইসেন্স হিসেবে স্টুডেন্ট রিমোট পাইলট লাইসেন্স ও রিমোট পাইলট লাইসেন্স, দুটি বিভাগ থাকে। 18 থেকে 65 বছরের মানুষরা এই লাইসেন্স পাবেন। বাণিজ্যিক কারণে ড্রোন ওড়ালেই লাইসেন্স প্রয়োজন হবে। লাইসেন্সের জন্য আবেদন করার জন্য আবেদনকারীকে অবশ্যই দশম শ্রেণী পাশ হবে। DGCA-এর একটি স্বাস্থ্য পরীক্ষায় পাশও হতে হবে তাকে।