ভোট গ্রহন থেকে গণনা পদ্ধতি, জেনে নিন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের খুঁটিনাটি

আজ আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। আজকের নির্বাচনের ফল স্বরূপ আমেরিকার রাজনীতির মোড় ঘুরে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। উল্লেখ্য, আমেরিকার রাজনীতি যে শুধুমাত্র সেই রাষ্ট্রের মধ্যেই সীমাবদ্ধ এমনটা নয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব কোনো না কোনোভাবে বিশ্বের প্রায় প্রতিটি প্রান্তেই পড়ে। ভারতের মতনই গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র আমেরিকা। ভারতে নির্বাচন পদ্ধতির তুলনায় বেশ কিছুটা স্বতন্ত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন পদ্ধতি।

আমেরিকাতে ভারতের মতো কোনো নির্বাচন কমিশন নেই। তাই সেই রাষ্ট্রের একেক রাজ্যে একেক রকম নিয়ম পালন করা হয়। সকাল ৬টা থেকে ভোট গ্রহণ পর্ব শুরু হয়ে তা শেষ হতে হতে প্রায় রাত নটা বেজে যায়। তবে করোনার কারণে গত সেপ্টেম্বর মাস থেকেই “আর্লি ভোটিং” শুরু হয়ে গিয়েছে। এই পদ্ধতিতে সোমবার পর্যন্ত প্রায় ৯.৬ কোটি মার্কিন নাগরিক ভোটদান পর্ব সেরে ফেলেছেন বলেই খবর পাওয়া গেছে।

প্রায় ৫০টি রাজ্যের সমন্বয়ে গঠিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। প্রতিটি রাজ্যেরই নির্বাচন প্রক্রিয়া সংক্রান্ত নিজস্ব আইন রয়েছে। অধিকাংশ রাজ্যে ভোটিং মেশিন ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া থাকলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ব্যালট পেপারের মাধ্যমেই ভোটগ্রহণ করা হয়ে থাকে। এরপর রীতিমতো হস্তাক্ষর মিলিয়ে, নথিপত্র খতিয়ে দেখে এবং ব্যালট স্ক্যান করে ভোট গণনা পর্ব শুরু হয়।

মার্কিনীরা সরাসরি প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীকেই ভোট দেন। ভারতের মতো কোনো দল নির্বাচন করেন না। প্রেসিডেন্ট পদের ঘোষণার ক্ষেত্রে বেশ অভিনব পদ্ধতি রয়েছে আমেরিকাতে। এক্ষেত্রে ভোটদানের রাতেই সমস্ত সংবাদমাধ্যমের তরফ থেকে আমেরিকার প্রত্যেক রাজ্যের আনুমানিক ফলাফল ঘোষণা করে দেওয়া হয়। ৫৩৮টা ইলেক্টরাল কলেজের মধ্যে অন্তত ২৭০টি কেন্দ্রকে ম্যাজিক ফিগার হিসেবে ধরা হয়। যে প্রার্থী এই টার্গেট সম্পূর্ণ করে নেন, তার অপনেন্ট পার্টি নিজেই পরাজয় স্বীকার করে নেন।