ড্রাগণফ্রুট চাষ করে আর্থিক উন্নতির পথে উত্তরবঙ্গের চাষিরা, হচ্ছে নতুন করে কর্মসংস্থান

বর্তমানে করোনা পরিস্থিতি এখনো স্বাভাবিক হয়নি বিশ্বে। কিন্তু এই মহামারী থেকে মানুষকে বাঁচতে হলে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলাটা খুবই প্রয়োজন। আর সেই প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে সাহায্য করছে ড্রাগন ফল। আর এই ড্রাগন ফল উত্তরবঙ্গ জুড়ে কৃষকরা প্রচুর পরিমাণে চাষ করছে, যার চাহিদা এখন তুঙ্গে। গত বছরের মার্চ মাস থেকে ড্রাগন ফলের চাহিদা আকাশ ছোঁয়া। আর এই কারনেই শিলিগুড়ি মহাকুমার ড্রাগন চাষ কারী কৃষকেরা চওড়া হাসি হেসেছে। যার ফলে কৃষকরা আগের তুলনায় অনেকটাই বেশি লাভের মুখ দেখতে পেয়েছে।

কিন্তু শুরুটা আজকের নয়, গত সাত বছর আগের প্রচেষ্টায় আজকের এই ফলন। একেবারে সুদূর আমেরিকা থেকে চারটি মূল নিয়ে এই পরীক্ষা শুরু হয়। প্রথমে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেক বিভাগে প্রথম পরীক্ষা শুরু হয়, আর সেখানেই সফল হয়ে শিলিগুড়ি সহ আশেপাশের বেশকিছু কৃষক এই ফল চাষ শুরু করে। আর সেটাই এখন সময়ের সাথে সাথে বড় ড্রাগন ফলের বাগানে পরিণত হয়েছে। ড্রাগন ফল চাষ করে শিলিগুড়ি মহাকুমা ও তার আশেপাশের কৃষকেরা অনেকটাই লাভবান হয়েছে। বর্তমানে এই ফলের বাজার মূল্য ৫০০ টাকা প্রতি কেজি।

বিশেষ করে একবার গাছ লাগানোর পরে টানা কয়েক বছর ফলন পাওয়া যায়, গড়ে প্রতি গাছে ১০ থেকে ১৫ কিলো ফল পাওয়া যায় আরেক একটি ফলের ওজন হয় ৩০০ গ্রামের কাছাকাছি। এই নিয়ে কপর্মের হর্টিকালচারালিস্ট অমরেন্দ্র কুমার পান্ডে জানায়, একটি গাছের ফল হতে সময় লাগে ১০ থেকে ১৫ দিন।প্রথমে স্বাভাবিকভাবেই পরীক্ষমূলক চাষ শুরু হয়েছিল কিন্তু এখন উত্তরবঙ্গের কৃষকদের কাছে এই ড্রাগন ফলের চাষ দারুণভাবে লাভজনক হয়ে উঠেছে। যার ফলে কৃষকদের মুখে যেমন হাসি ফুটেছে তেমনি ভাবে চাষ বেকারদের কর্মসংস্থান জুটেছে।