অনুমতি না নিয়েই রি’মে’ক, নেহা কক্করের বি’রু’দ্ধে আদালতে যে’তে চাইছেন ফাল্গুনী পাঠক!

জনপ্রিয় গায়িকা নেহা কক্করের বিরুদ্ধে মামলা করার হুমকি দিলেন গায়িকা ফাল্গুনী পাঠক । কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে কি এমন করলেন নেহা কাক্কার যার জেরে ফাল্গুনী পাঠকের এহেন আচরণ আমরা দেখতে পাচ্ছি। নব্বই দশকের ছেলে মেয়েরা যে গানটি শুনে ভালবাসার প্রথম অনুভূতি বুঝেছিল সে গানটি হল মেনে পায়েল হে ছনকাই। ফাল্গুনী পাঠকের সেই বিখ্যাত গান যা ঝড় তুলেছিল নব্বই দশকের ছেলেমেয়েদের মধ্যে। সেই গানটিকে এই বর্তমানে রিমেক বানিয়েছেন নেহা কক্কর।

রিমেক ট্রেন্ডে তাল মেলাতে গিয়ে নেহা কক্কর এই গানটির একটি মিউজিক ভিডিও বানিয়ে ফেলেছেন। যেখানে দেখা গিয়েছে চাহাল ঘরণী ধনশ্রী বর্মা এবং প্রিয়াঙ্কা শর্মাকে। এই গানের নতুন রূপ দেখে ক্ষুব্ধ সকল ফাল্গুনী ভক্তরাও। তবে সম্প্রতি ফাল্গুনী পাঠক এক সাক্ষাৎকারে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন এই নিয়ে। ৫৩ বছর বয়সী গায়িকা ফাল্গুনী পাঠক জানান নেহা কক্করের এই গানটি রিমেক করার আগে তাঁর কাছ থেকে কোন অনুমতিও নেননি। এমনকি এই গানটির রিমেক সম্পর্কে কোন তথ্য-ই ফাল্গুনী জানতেন না।

নেহা কক্করের বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা নিতে ভীষন ভাবে ইচ্ছুক ফাল্গুনী। কিন্তু তিনি আদতে পুরোই ব্যর্থ। দুর্ভাগ্যবশত তার কাছে কোন কপিরাইট না থাকার দরুন পারছেন না। তবে এ বিষয়ে এখন অব্দি কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি নেহার তরফ থেকে। বরং নেহা নিজের ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন আমি আজ কেমন বোধ করছি নিয়ে দু চার কথা।

আরো পড়ুন: মদন মিত্র ঢাক বা’জা’চ্ছে’ন শ্রাবন্তী নাচছেন! পুজোর প্রা’ক্কা’লে মিউজিক ভিডিওয়ের অ’পে’ক্ষা’য় সকলে

তাতে তিনি জানান তিনি খুব ভাগ্যবান এবং ভগবানের আশীর্বাদ পাওয়া সন্তান তিনি। তার জন্য তিনি সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এত অল্প বয়সে তিনি এত জনপ্রিয়তা পেয়েছেন তার জন্য তিনি আপ্লুত। সবশেষে তিনি সবার জীবন আনন্দময় হয়ে ওঠারো কামনা করেছেন। বলা চলে সোশ্যাল মিডিয়া ফাল্গুনী নেহা কাক্কারের মতো বিরোধ বেশ চর্চিত হচ্ছে।