চরম আ’র্থি’ক ম’ন্দা নর্থ কোরিয়া জুড়ে, প্রবল খাদ্য সং’ক’ট: রাষ্ট্রপুঞ্জ

চরম খাদ্য সংকটে ভুগছে নর্থ কোরিয়া। নর্থ কোরিয়ার নাগরিকদের মানবাধিকারের উপর গুরুতর প্রভাব ফেলেছে করোনা মহামারী। তার থেকেও বড় প্রভাব ফেলেছে মহামারী প্রতিরোধে নেওয়া উত্তর কোরিয়ার প্রশাসনের কড়া পদক্ষেপ। মহামারী প্রতিরোধে খাদ্য ঘাটতির সম্মুখীন হচ্ছেন উত্তর কোরিয়ার নাগরিকরা। জীবিকা হারিয়েছেন বহু মানুষ।

সবথেকে বেশি ক্ষয় ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন শিশু এবং বয়স্ক ব্যক্তিরা। কারণ এই দুই অংশেই কার্যত অনাহারের প্রভাব সবথেকে বেশি। সাধারণ পরিষদের মানবাধিকার কমিটির কাছে টমাস ওজেয়া কুইন্টানা এই দাবি করেছেন। আন্তর্জাতিক সীমানা বন্ধ করে দেওয়ার জেরে সেই দেশ থেকে কেউ বাইরে বেরোতে পারছেন না। আবার অন্য দিক থেকেও কেউ দেশে আসতে পারছেন না।

রাষ্ট্রপুঞ্জের তরফ থেকে সতর্ক করে জানানো হয়েছে যে সীমানা বন্ধ করে দেওয়ার জেরে চরম খাদ্য সংকটের মুখে পড়তে হবে উত্তর কোরিয়ার বাসিন্দাদের। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস গুলিতেও অভাব দেখা দিয়েছে। খাদ্যসহ মৌলিক প্রয়োজন মেটানো উত্তর কোরিয়ার মানুষের পক্ষে দুষ্কর হয়ে উঠেছে।

উত্তর কোরিয়ার শাসক কিম জং উন এই ভয়াবহ পরিস্থিতির কথা স্বীকার করে নিয়েছেন। দেশের অনাহার প্রতিরোধের জন্য তিনি বিনিয়োগ করার কথা ঘোষণা করেছেন। এই মুহূর্তে এই দেশে রাষ্ট্রপুঞ্জের কোনও আন্তর্জাতিক কর্মী নেই। কূটনীতিকরাও ধারাবাহিকভাবে নর্থ কোরিয়া ছেড়ে চলে যাচ্ছেন বাইরে। যার প্রভাব সরাসরি পড়ছে সাধারণ মানুষের জনজীবনের উপর।