চরম অব্যবস্থা, রোগীর হাত-পা বেঁধে চিকিৎসা প্রাইভেট হাসপাতালে, সারা শরীরে একাধিক ক্ষত

চন্দননগরের এক বেসরকারি নার্সিংহোমে বিরুদ্ধে উঠল অমানবিকতার অভিযোগ। রোগীর চিকিৎসা করতে গিয়ে অমানবিক আচরণ করেছে নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ এমনটাই দাবি জানাচ্ছে রোগীর পরিবার।জানা যায় পেটের রোগের জন্য ভর্তি হয়েছিলেন রোগী কিন্তু সেখানে তার চিকিৎসা না করে হাত-পা বেঁধে অমানবিক আচরণ করা হয় যার প্রমাণ পাওয়া গেছে রোগীর দেহের ক্ষত বিক্ষত চিহ্ন দেখে।এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে চন্দননগরে অন্যান্য সরকারি বেসরকারি হাসপাতালে কর্মীরাও হতবাক। ইতিমধ্যে রোগীর স্ত্রী কাকলি দেবী চুঁচুড়ার মহকুমাশাসক ও জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছে। এই করো না পরিস্থিতির মধ্যেই অনেকদিন থেকে শোভন সাধু ব্যক্তি পেটের রোগে ভুগছিলেন।

এর পরেই তাকে এই বেসরকারি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হলে নিয়ম মেনে করোনা পরীক্ষা করা হয়, রিপোর্ট নেগেটিভ আসতেই তাকে ভর্তি করা হয় আইসিইউতে। আর সেখানেই চলে তার দিনের-পর-দিন হাত-পা বেঁধে চিকিৎসা। এই কথা শুভন বাবু জানাতে পারেননি কাউকে।তবে এখানেই শেষ নয় এই অমানবিক আচরণের সাথে সাথে বাড়তে থাকে নার্সিংহোমের দৈনিক খরচের পরিমাণ। এর পরে সেখান থেকে তার স্ত্রী স্বামীকে অন্য একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে ভর্তি করালে সেখানে করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে।

পরে রিপোর্ট নেগেটিভ আসার পরেই তার স্ত্রী চুঁচুড়ার মল্লিক কাশেম হাটের অজন্তা সেবা সদন হাসপাতালে ভর্তি করেন পেটের রোগের জন্য। সেখানেই তার পেটের রোগের চিকিৎসা করা শুরু হয় এবং রোগীর পোশাক পরিবর্তন করার সময় রোগীর দেহের ক্ষত বিক্ষত গা দেখে অবাক হয়ে যায় স্বাস্থ্যকর্মীরা। এরপর এই প্রশ্ন করা হলে শোভন বাবু কেঁদে জানায়, আগের নার্সিংহোমে পেটের রোগের চিকিৎসার জন্য ভর্তি হয়েছিলেন তিনি আর সেখানেই তার উপর এমন অমানবিক আচরণ করা হয়েছে। পেটের যন্ত্রণা যখন তিনি ছটফট করতেন তখন তাকে যদি দিয়ে হাত পা বেঁধে রাখা হতো। বাঁধন খুলে দেওয়ার অনুরোধ করা হলেও তার কথা শুনতো না সেখানকার স্বাস্থ্যকর্মীরা।