ভা’ই’রা’স নিয়েই বাঁ’চা শিখতে হবে সকলকে! দেশবাসীকে বা’র্তা ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর

প্রায় দেড় বছর হয়ে গেল আমরা বসবাস করছি এই করোনাভাইরাসের সঙ্গে। প্রথম প্রথম মনে হতো এই করোনাভাইরাস বেশি দিন টিকবে না, কিন্তু যত দিন যাচ্ছে ততই আমাদের এই ভুল ধারণা স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে। করোনা কে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে, সম্প্রতি দেশবাসীর উদ্দেশে এমনি বার্তা দিলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। আগামী 19 তারিখ থেকে হয়তো পুরোপুরি আনলক করে দিতে পারে ব্রিটেন সরকার। সোমবার তারই রূপরেখা তৈরি করা হচ্ছে।

গত 21 শে জুন থেকে আনলক হবার কথা ছিল ব্রিটেন, কিন্তু করোনার নতুন ভেরিয়েন্ট নিয়ে চিন্তিত থাকার কারণে তা করা হয়নি। সম্প্রতি ব্রিটেনে নতুন করে করনায় আক্রান্তদের বেশিরভাগ শরীরে পাওয়া গেছে ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়েন্ট। রাশিয়ার পর ব্রিটেনে করনাতে মৃত্যুর সংখ্যা সবথেকে বেশি। ফলে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

কিন্তু এবার নিউ নরমাল লাইফে ফিরে আসতে চাইছে ব্রিটেন। তাই চলতি মাসের মধ্যভাগ থেকে নরমাল জীবন যাপনের পথে হাঁটতে চলেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। করনা আতঙ্কে নয় বরং তার সঙ্গে লড়াই করতে করতেই আমাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরে আসতে হবে। এর আগেও ক্রিসমাসের পরবর্তী সময়ে লকডাউন প্রত্যাহার করে সমস্ত বিধিনিষেধ তুলে দিয়েছিল বৃটেনের প্রশাসন।

কিন্তু তারপরেই মহামারীর বাড়বাড়ন্ত চোখে পড়ে আরো একবার লকডাউনের পথেই হাঁটতে বাধ্য হয়েছিল ব্রিটেন সরকার।তবে বৃটেনের প্রথম দেশ যেখানে ডিসেম্বর থেকে টিকাদান শুরু হওয়ায় প্রায় প্রত্যেক ব্রিটেনের বাসিকে ইতিমধ্যে টিকা করন করা হয়ে গেছে। তাই আপাতত ডেল্টা প্লাস ভেরিয়েন্ট চোখ রাঙালেও চোখে চোখ রেখে যুদ্ধে এগিয়ে যেতে মরিয়া ব্রিটিশ সরকার।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি মাক্স এর ব্যবহার নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করায় দেশের এক মন্ত্রী বিপাকে পড়েছেন। তিনি বলেছিলেন, মাক্স পরা বাধ্যতামূলক নয়, চাইলে পড়তে পারেন আবার নাও বলতে পারেন। এই প্রসঙ্গে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল ব্রিটেনে। তবে আপাতত বর্তমান পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে সোমবার অর্থাৎ আজ ব্লু প্রিন্ট ঠিক করতে বসে ঠিকই কি কি সিদ্ধান্ত নেন বরিস জনসন, তার দিকেই তাকিয়ে গোটা বিশ্ব।