সে বুঝলেও বু’ঝ’লো না বড়োরা! মা’স্ক’হী’ন টুরিস্টদের মা’স্ক পরতে বলছে ৫ বছরের খুদে হ’কা’র

করোনার দরুন জর্জরিত পৃথিবী। পৃথিবীতে করোনার হাত থেকে বাঁচাতে হলে মাস্ক পরা অবশ্য প্রয়োজনীয়। মাস্ক না পড়ার দরুন নিত্যদিন বহু মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। তবে তাতেও মানুষের সম্বিত ফিরছে কই? আজও মাস্ক ছাড়াই ভিড়বহুল এলাকায় ঘুরতে দেখা যাচ্ছে বহু মানুষকে। পুলিশ তাদের সর্বদা মাস্ক পড়ার জন্য নির্দেশ দিচ্ছে। অথচ সাধারণের তাতে ভ্রুক্ষেপ নেই। এবার সাধারণ মানুষকে মাস্ক পড়ার জন্য করোনা যোদ্ধা হিসেবে হাজির ৫ বছরের এক ক্ষুদে বেলুন বিক্রেতা।

সম্প্রতি হিমাচল প্রদেশের ভাসুনাগ এলাকায় রাস্তায় দেখা গেল এই ক্ষুদেকে। লাঠি হাতে উঁচিয়ে সে রাস্তার মানুষকে বলছে, মাস্ক পরুন, মাস্ক কোথায়? তবে তার কথায় অবশ্য গুরুত্ব দিচ্ছে না কেউ। যে যার নিজের মতই পথ চলেছে। কিন্তু ওই খুদে করোনা যোদ্ধার এমন সচেতনতামূলক বার্তার ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার হয়ে গিয়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে পথশিশুটি খালি পায়েই পথ চলছে। আর মুখে সকলকে সতর্ক করে চলেছে।

এ সম্পর্কে তাকে জিজ্ঞেস করে জানা গেল, সে দেখেছে পুলিশরা কেমন সকলকে মাস্ক পড়ার অনুরোধ করেন। তাই দেখে সে উদ্বুদ্ধ হয়েছে। সেও তাই সকলকে মাস্ক পরার জন্য বলছে। করোনাকালে মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য মাস্ক পরার প্রয়োজনীয়তা সে বুঝেছে। এই শিশুটি গুজরাটের বাসিন্দা। সে বাবা-মার সঙ্গে এখানে এসেছে। এখানে এসে ভিড়বহুল রাস্তায় পথচারীদের মাস্ক না পড়ে ঘুরতে দেখে সে সকলকে সচেতন করার দায়িত্ব নিয়েছে।

ছোট্ট এই শিশুটির নাম অমিত। করোনা যোদ্ধা হিসেবে অমিতেকে করোনা প্রটোকল প্রচারের কাজে ব্যবহার করছে স্থানীয় পুলিশ। ছোট শিশুটিকে প্রয়োজনীয় পাহাড়ি টুপি, স্নাক্স এবং এনার্জি ড্রিংকস দিয়েছে পুলিশ কর্তৃপক্ষ। অমিত এবং তার ভাইদেরকে জুতো কিনে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় লোকজন তাদের সাহায্য করছে। অনেকেই তাদের জামাকাপড় কিনে দিতে চেয়েছেন। এক বৃদ্ধ দম্পতি অমিতের পড়াশোনার দায়িত্ব নিতে চেয়েছেন।