বিয়ে হলেও যোগ্য স্ত্রীর সন্মান পাননি, জয়া প্রদার গল্প সিনেমাকে হার মানাবে

আশির দশকে যে সমস্ত অভিনেত্রীরা ছিলেন জনপ্রিয়তার শীর্ষে, তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন জয়াপ্রদা। অনেক ছোটবেলা থেকে জীবনে অভিনয় জগতে প্রবেশ করেছিলেন তিনি। তার বাবাও ছিল একজন প্রযোজক। তাই স্বাভাবিকভাবে শিল্পী মহলে জন্ম হয়েছিল তার। পার্শ্বচরিত্র এবং মুখ্য চরিত্র নিয়ে প্রায় ৩০০ রও বেশি ছবিতে কাজ করেছেন তিনি। তবে কখনো রেখা অথবা রাখির মত সাফল্য পাননি তিনি। হিন্দি ভাষা ছাড়াও তিনি কাজ করে গেছেন অন্যান্য ভাষাতে।

ব্যক্তিগত জীবনে একবার আয়কর সংক্রান্ত কিছু সমস্যায় জড়িয়ে পড়েছিলেন জয়াপ্রদা। প্রযোজক শ্রীকান্ত নাহাটার সাহায্যে মুক্তি পেয়েছিলেন সেই সমস্যা থেকে। স্বাভাবিকভাবেই তাদের মধ্যে তৈরি হয় একটি বন্ধুত্বের সম্পর্ক। ধীরে ধীরে প্রেম পরিণতি পায় বিবাহতে। কিন্তু ততদিনে প্রযোজক ছিলেন বিবাহিত এবং কোনমতেই তিনি প্রথম পক্ষের স্ত্রীকে ডিভোর্স দিতে চাননি।

তবে এর পরেও তারা দুজনে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। প্রথম স্ত্রী থাকাকালীন দ্বিতীয়বার বিয়ে করার জন্য ভীষণভাবে সমালোচনার সম্মুখীন হতে হয়েছিল তাদের। বিয়ের পর হঠাৎ করেই অভিনয় জগৎ থেকে সরে আসেন তিনি। প্রথম পক্ষের তিন সন্তান থাকায় জয়াপ্রদার মাতৃত্বের স্বাদ আলাদা করে গ্রহণ করতে হয়নি, এক কথায় বলা ভালো তিনি মা হতে পারেননি। তাই কখনোই পাননি স্ত্রীর মর্যাদা।

পরবর্তী সময়ে মায়ের স্থান পাবার জন্য বোনের ছেলেকে দত্তক নেন এবং নিজের ছেলের মতো মানুষ করতে শুরু করেন। বর্তমানে তিনি যোগ দিয়েছিল রাজনীতিতে। নিজের জীবন নতুনভাবে শুরু করেছেন এই প্রবীণ অভিনেত্রী। বিজেপিতে যোগ দেবার পর বিভিন্ন জায়গায় তাকে দেখা যায় প্রচারে। তবুও এত কিছুর পরেও আমাদের কাছে জয়াপ্রদা স্থান একেবারেই আলাদা। আজও তার বিভিন্ন সিনেমা আমাদের মুগ্ধ করে।