এঁচোড়ের সুস্বাদু রেসিপি, জেনে নিন ৩ রকম আমিষ আইটেমের রন্ধন প্রণালী

শীতকাল প্রায় শেষ। চলে এসেছে গরম। ফুলকপি এবং বাঁধাকপির পরে বাজারে উঠেছে সদ্য সদ্য এচোর। অনেক বাড়ির মা কাকিমারা এত সুন্দর ভাবে এঁচোড় রান্না করেন যে তা যেকোনো মাংস অথবা মাছের পদ কেও হার মানিয়ে দেয়। আজ এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে আপনাকে শেখানো হবে তিনখানি রেসিপি। অতি সাধারন আমিষ রেসিপি যা রান্না করে সহজে আপনি মন জয় করে নিতে পারবেন সকলের।

পোস্ত এঁচোড়

একটি বাটিতে টুকরো করা এঁচোড়
পেঁয়াজ কুচি এক বাটি
পোস্ত বাটা 2 টেবিল চামচ
লঙ্কা বাটা 1 টেবিল চামচ
হলুদ গুঁড়া 1 চা চামচ
সরষের তেল 1 কাপ
টকদই 1 টেবিল চামচ
নুন মিষ্টি স্বাদ মত

প্রণালী: একটি পাত্রের মধ্যে সরষের তেল গরম করে নিতে হবে। তাতে কিছুটা পেঁয়াজকুচি দিতে হবে। ভাজা ভাজা হয়ে গেলে দিতে হবে হলুদ গুঁড়ো, লঙ্কাগুঁড়ো, স্বাদমতো নুন এবং মিষ্টি। এর মধ্যে কিছুটা সিদ্ধ করে রাখা এঁচোড় দিয়ে দিতে হবে। সবশেষে দিতে হবে পোস্ত বাটা এবং টক দই। উপকরণটি কিছু সময় উষ্ণ গরম জল দিয়ে ঢাকা দিতে হবে। ঢাকা খুলে গরম গরম পরিবেশন করলে মন জয় করে নিতে পারবেন আপনি।

এঁচোড় মেটে

উপকরণ

ছোট বাটির এক বাটি টুকরো করে রাখা এঁচোড়
ছোট বাটির এক বাটি মেটে সেদ্ধ করে রাখা
পেঁয়াজ বাটা 2 টেবিল চামচ
আদাবাটা 1 টেবিল চামচ
রসুন বাটা 1 টেবিল চামচ
হলুদ গুঁড়া 1 চা চামচ
ধনে গুঁড়ো 1 চা চামচ
লঙ্কা গুঁড়ো 1 চা চামচ
গরম মসলার গুঁড়া 1 চা-চামচ
এক কাপ সরষের তেল
স্বাদমতো নুন এবং মিষ্টি

প্রণালী: ফ্রাইং প্যানে নিতে হবে সরষের তেল। তার মধ্যে দিয়ে দিতে হবে পেঁয়াজ আদা রসুন। ভালো করে ভাজা ভাজা হয়ে গেলে দিতে হবে গরম মসলা। কিছুটা সেদ্ধ হয়ে গেলে দিয়ে দিতে হবে মেটে। এক্ষেত্রে মাটান ব্যবহার করলে সব থেকে ভালো। স্বাদমতো দিতে হবে নুন এবং মিষ্টি। সবশেষে কষানো হয়ে গেলে সামান্য উষ্ণ গরম জল দিয়ে ঢাকা দিয়ে রাখতে হবে উপকরণ টি। কিছুক্ষণ পরে গরম গরম পরিবেশন করুন এবং মন জয় করে নিন সকলের।

চিলি এঁচোড়

উপকরণ

ছোট এক বাটি সেদ্ধ করা এচোর
একটা ক্যাপসিকাম টুকরো করে কাটা
পেঁয়াজ টুকরো করে কাটা
রসুন কুচি 1 টেবিল চামচ
টমেটোর সস 1 টেবিল চামচ
সয়া সস 1 টেবিল চামচ
চিলি সস 1 টেবিল চামচ
কর্নফ্লাওয়ার 1 টেবিল চামচ
সাদা তেল 1 কাপ
স্বাদ মত মিষ্টি।

প্রণালী: কড়াইতে সাদা তেল গরম করে গুলিকে নুন হলুদ মাখিয়ে কর্নফ্লাওয়ারে ডুবিয়ে সামান্য ভেজে তুলে রাখতে হবে। এরপর বড় বড় করে কাটা পেঁয়াজ কুচি কেটে রাখা রসুন এবং ক্যাপসিকাম দিয়ে দিতে হবে কড়াইতে। এক্ষেত্রে তিন রকমের সস দিতে হবে। স্বাদমতো গোলমরিচ গুঁড়া এবং চিরে রাখা কাঁচালঙ্কা দিয়ে দিতে হবে। কষানো হয়ে গেলে সামান্য উষ্ণ গরম জল দিয়ে দিতে হবে। এরপর একটি জলের মধ্যে কনফ্লাওয়ার ভালো করে এগুলো নিয়ে মিশ্রণটি দিয়ে দিতে হবে কড়াইতে। কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে নিতে হবে স্বাদমতো নুন মিষ্টি। মাখোমাখো হয়ে গেলে গরম গরম পরিবেশন করে দিন চিলি এঁচোড়।