শিশুর জীবনের উপর প্রভাব ফেলতে পারে বাস্তু, জানুন বাস্তুশাস্ত্রের কি কি নিয়ম মেনে চলা উচিত

বাস্তুশাস্ত্র, জ্যোতিষশাস্ত্রের পাশাপাশি একই সঙ্গে আমাদের জীবনে সমানভাবে প্রয়োজনীয় এই বাস্তুশাস্ত্র। বাস্তু বলতে আমরা আমাদের বাড়ির আশেপাশে সমস্ত স্থানকে বোঝাই। ভারত উপমহাদেশে সভ্যতার সূচনা লগ্ন থেকেই বাস্তুশাস্ত্র কে ভীষণভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি জানা যাচ্ছে যে এই বাস্তু তন্ত্র শুধুমাত্র আমাদের জীবনে নয় আমাদের সন্তানদের জীবনেও সমানভাবে ছাপ ফেলছে। আপনার পরিবারের ক্ষুদ্রতম সদস্যের জীবনের ওপর ভীষণ ভাবে ছাপ ফেলতে পারে এই বাস্তুশাস্ত্র। তাই এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে আপনাদের জানানো হবে যে, কিভাবে আজই আপনার ঘরের বাস্তু তন্ত্র ঠিক করে আপনার জীবনের সব থেকে মূল্যবান সদস্যকে সুরক্ষিত করে রাখবেন।

ছোটদের ঘর গুছিয়ে রাখা খুব একটা সহজ ব্যাপার নয়। তারা নিজেদের মতো করে ঘর এলোমেলো করে রাখে। বারবার বুঝিয়ে রাখলেও সেই একই সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় বাবা-মাদের। আজি ছোটবেলা থেকে বাড়ির ছোট্ট সদস্যকে চেষ্টা করুন শেখাতে, কিভাবে বড় হয় নিজেরা গুছিয়ে রাখবে নিজেদের ঘর। আজ থেকেই চেষ্টা করুন আপনার হাতে হাতে তাকে ঘর গোছাতে সাহায্য করতে শেখাতে। ছোটদের ঘর সাজানোর মধ্যে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হলো তাদের ঘরের রং। ছোটদের ঘর রং করার সময় আপনি বেছে নিতে পারেন নীল, গোলাপি হলুদ, সবুজের মধ্যে যে কোনো রং। এরপর তার ওপর আপনার শিল্পকলা দিয়ে আরো বেশি রঙিন করে রাখুন তাদের ঘর।

আপনার শিশুর ঘর আলোয় আলোকিত করে রাখুন। শোয়ার জায়গা থেকে আলোর ব্যবস্থা বেশি উঁচুতে না রাখাই ভালো। বিছানায় রঙিন চাদর পাতার ব্যবস্থা করুন। রঙিন চাদর এর মধ্যে যদি কার্টুন থাকে তাহলে তো অবশ্যই ভালো। ছোটদের খেলার জিনিসপত্র রেখে দিন ঘরের একদিকে। ঘরের মধ্যে তাদের যেন আলাদা জগত থাকে। সেখানে নিজের মতো করে তাদের খেলতে দিন। কেউ যেন তাদের বিরক্ত না করতে পারে সেদিকে নজর রাখুন। শুধুমাত্র নজর রাখবেন যাতে বিপদ না হয় তাদের।

শিশুর ঘরে একটি কালারফুল সেলফ রাখার চেষ্টা করুন। এই সেলফি তাকে সেখানে কিভাবে খেলনা গুলো গুছিয়ে রাখা যায়। এতে করে তার অগোছালো অভ্যাস আস্তে আস্তে ঠিক হয়ে যাবে। চেষ্টা করবেন আপনার শিশুকে আদর এবং স্নেহ দিয়ে বড় করতে। শিশুর মানসিক বিকাশে এতে খুবই ভালো হয়। শাসন অবশ্যই প্রয়োজন কিন্তু অতিরিক্ত শাসন আপনার শিশুকে মানসিক বিকাশ ঘটাতে সাহায্য করবে না। তাই সেই দিকে অবশ্যই নজর রাখুন।