হুড়োহুড়ি করবেন না, মাস্ক পড়ুন মদ আনুন, জানুন আবগারি দপ্তরের 15 টি নিয়ম

৪০ দিন টানা বন্ধ মদের দোকান, তার পরে খুলে দেওয়া হলেও অনেক নিয়ম কানুন মেনেই মদ কিনতে বলা হয়েছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফ থেকে। কিন্তু মানুষের মদ কিনতে গিয়ে একেবারে হূলুথূল কান্ড। কলকাতা, সহ বিভিন্ন জায়গায় মানুষকে সামাল দেওয়া শক্ত হয়ে পড়েছিল। তার জন্য পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল, এমনকি লাঠিচার্জ পর্যন্ত করতে পুলিশকে বাধ্য করেছে সুরাপ্রেমীরা। তাও যেনো সব হাতের নাগালের বাইরে। এবার এই কারণেই আফগারী দফতরের তরফ থেকে একটি নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয়েছে , যেখানে আছে মোট ১৫ টি নির্দেশিকা।

মদের দোকান একমাত্র সেখানেই খোলা যাবে যেখানে একটিমাত্র দোকান আছে অর্থাৎ স্ট্যান্ড এলোন। কোনো মলে, শপিং মলের মদের দোকান খোলা যাবে না।

বার, রেস্টুরেন্ট খোলা যাবে না কোনও জ্যাগায়, একমাত্র অফ শপ খোলা যাবে ।

কোনো কন্টেইনমেন্ট এলাকায় কোনভাবেই খোলা যাবে না মদের দোকান।

মদের দোকান খোলার পরে যেন কোনো রকমের ভিড় না হয়, সেই কারণেই সেখানকার আবগারী দফতর ও পুলিশদের খেয়াল রাখতে হবে।

যে এলাকায় মদের দোকান খোলা হবে সেটার তালিকা জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের পাঠিয়ে দিতে হবে আবগারী দফতরে, যাতে সব কিছুর ওপরে সমন্বয় সাধন করা যায়।

সব ধরনের মদের দোকানের ক্ষেত্রেই অফ শপ শুধুমাত্র খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মদের দোকানে মানুষের ভিড় সামাল দিতে, নিয়ম ঠিক রাখার জন্য ভলেন্টিয়ার রাখতে হবে।

একটি মদের দোকানে একবারে ৫ জনের বেশী ঢুকতে পারবে না, আর এক জনের থেকে আরেক জনের দুরত্ব ৬ ফুট।

আর সব থেকে যেটা গুরুত্বপূর্ণ, সেটা হল একজনকে দু বোতলের বেশী মদ দেওয়া হবে না।

এদিকে মাস্ক না পরলে পাওয়া যাবে না মদ।

দোকানে অবশ্যই রাখতে হবে স্যানিটাইজার।

মদের দামের তালিকা যেনো ভেতরে না থাকে, বাইরে যেনো ঝোলানো থাকে।

মদের দোকান খোলার সময় সীমাও বেধে দেওয়া হয়েছে , দুপুর ১২ টা থেকে সন্ধ্যে ৭ টা পর্যন্ত।

সিল যুক্ত মদ কেবল বিক্রি করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

আর শেষেরটা সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ, সেটা হল মদ হোম ডেলিভারী করতে চাইলে, সেটাও করা যাবে।।