সুশান্তের বাইপোলার ডিসঅর্ডার নিয়ে বিস্ফোরক দাবি চিকিত্‍সকের, শোরগোল দেশজুড়ে

সুশান্তের মৃত্যুর পর থেকে প্রায়ই শোনা যায় যে সুশান্ত বাইপোলার ডিজঅর্ডার রোগে ভুগছিলেন। বাইপোলার ডিজঅর্ডার হলো এমন একটি রোগ, যা থাকার কারণে ব্যক্তি মাঝে মাঝেই আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে আগ্রহী হয়ে যান। কিন্তু সুশান্তের মৃত্যু রহস্যে নেমে তার বাবা বারবার অস্বীকার করেন যে, তার ছেলের কোন মানসিক রোগ ছিল। ছেলের মানসিক রোগ থাকলে পরিবারের কেউ না কেউ ঠিক জানতেন বলে দাবি করেন সুশান্তের বাবা কে কে সিং।

তবে সম্প্রতি মুম্বাই পুলিশের সামনেই সুশান্তের দিদি প্রিয়াঙ্কা সিং তার স্বীকার করেন যে, ২০১৩ সাল থেকেই মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন সুশান্ত। সুশান্তের দিদি প্রিয়াঙ্কার এই মন্তব্যের ওপর সিলমোহর লাগালেন সুশান্তের চিকিৎসক।সুশান্ত চিকিৎসক জানান যে, মাত্র কুড়ি বছর বয়স থেকেই বাইপোলার ডিজঅর্ডার, এটেনশান ডেফিসিট হাইপেরাক্টিভিটি ডিজাইনের সুশান্ত। এই সমস্ত রোগ থাকার কারণে সুশান্ত মাঝে মাঝেই একাকিত্বের শিকার হতেন।

এই সমস্ত তথ্য সামনে আসায় কোথাও-না-কোথাও রিয়া চক্রবর্তীর কিছু বয়ানের মিল পাওয়া যাচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। ক্রমেই সুশান্তের মৃত্যু তদন্ত এবার আস্তে আস্তে অন্য দিকে মোড় নিয়ে নিচ্ছে। প্রথমে সুশান্তের পরিবার থেকে বলা হয়েছিল যে নায়ক এর সুস্থতা এবং মানসিক অবস্থা সম্পর্কে তারা কিছুই জানতেন না। কিন্তু বর্তমানে দেখা যাচ্ছে যে সুশান্তের সম্পর্কে একেবারেই অজ্ঞ ছিলেন না তার পরিবার।

পরিবারের কেউ না কেউ সুশান্তের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল ছিলেন। সুশান্তের দিদি প্রিয়াঙ্কা নিজেই ভাইকে কিছু ওষুধ খেতে পরামর্শ দিতেন। সেই ওষুধগুলো অবশ্যই দুশ্চিন্তা এবং অনিদ্রার ওষুধ। এর থেকে আবার প্রমাণিত হয় যে, সুশান্তের মৃত্যুর পেছনে রয়েছে অনেকগুলি জট, যার নেপথ্যে পৌঁছলে জানতে পারা যাবে বহু অজানা রহস্য।

সব খবর সরাসরি পড়তে আমাদের WhatsApp  Telegram  Facebook Group যুক্ত হতে ক্লিক করুন

/p>