ফাঁ’সি’র দ’ণ্ড’প্রা’প্ত আ’সা’মি’র কো’ন শে’ষ ই’চ্ছা পূ’র’ণ ক’রা হ’য় জা’নে’ন কি? শু’ন’লে অ’বা’ক হ’বে’ন

প্রকৃতির সবথেকে কঠিন সত্য হল মৃত্যু।আমাদের এই পৃথিবীতে যারা জন্মায়,তাঁদের সবাইকেই কখনও না কখনও মৃত্যু বরণ করতেই হয়। তবে কিছু লোকের মৃত্যু তাদের অপকর্ম করার জন্য ও হয়।ঠিক যেমন জেলের কয়েদিদের ফাঁসি দেওয়া হয় তাঁদের খারাপ কাজের জন্য। কিন্তু এইসব আসামীদের ফাঁসি দেওয়ার আগে তাদের শেষ ইচ্ছা পূরণ করার একটা সুযোগ দেওয়া হয়।

আপনি কি জানেন;একজন আসামী তার মৃত্যুর পূর্বে ঠিক কি কি রকম ইচ্ছা পূরণ করতে পারে?। সেই সমস্ত আসামিদের একমাত্র সেই ইচ্ছা গুলোকেই মানা হয় যেগুলো আইনের গণ্ডির মধ্যে পরে। একজন আসামী যদি তার মৃত্যুর পূর্বের শেষ ইচ্ছা হিসেবে তাঁকে পুনরায় জীবন দান দেওয়া হোক এটা চায়; তবে সেটা কিন্তু কখনোই পূরণ করা হবে না।

কিছু আসামী আছে যাঁরা খেতে ভালবাসে,তাই তাঁরা তাঁদের মৃত্যুর পূর্বে সুস্বাদু খাবার খেতে চায়।আবার কিছু আসামী আছে,যারা মৃত্যুর পূর্বে তাঁদের পরিবারের সঙ্গে শেষবারের মতো দেখা করতে চায়।

তবে তাদের ইচ্ছাগুলির কিন্তু একটি সীমিত পরিসীমা নির্দিষ্ট করা হয়।ভারতীয় সংবিধানে বলা আছে, যদি কোনো বন্দীকে মৃত্যুদন্ড দেওয়া হয়,তবে তিনি এই ইচ্ছাগুলি ছাড়াও অন্য অনেক কিছু দাবি করতে পারে। অর্থাৎ তাঁদের প্রিয় খাবার এবং পরিবারের সদস্যদের সাথে দেখা করা ছাড়াও তার অন্য কিছু ইচ্ছাও পূরণ করা হয়। কোনো বন্দী তাঁর ফাঁসির আগে যদি একটি ধর্মীয় বই পড়তে চায়,তবে তার ইচ্ছার প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই সেই ধর্মের বইটি তার কাছে পড়ার জন্য দেওয়া হয়ে থাকে।