দল থেকে ছাঁ’টা’ই, ঝাড়খণ্ডে ১৬ জনকে পি’ষে মারলো হাতি

খারাপ আচরণের জন্য দল থেকে বিতাড়িত একটি পূর্ণবয়স্ক হাতি! ২২টি হাতির ওই দল থেকে দু মাস আগেই বিতাড়িত হয়েছে সে। আর তারপর থেকেই রাগের মাথায় মানুষের ওপর প্রতিশোধ নিতে শুরু করেছে হাতিটি। এমন ঘটনাটি ঘটেছে ঝাড়খণ্ডের সাঁওতাল পরগনায়। সেখানে বিগত প্রায় দুই মাস ধরে একটি উন্মত্ত হাতি এলাকায় তাণ্ডব চালিয়ে বেড়াচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, দুই মাস আগেই নিজের দল থেকে বিতাড়িত হয়েছে সে।

এরপর এই প্রবল আক্রোশে সে আরো বেশি আক্রমণাত্মক হয়ে উঠেছে। তার আক্রমণে ইতিমধ্যেই সাঁওতাল পরগনার প্রায় ১৬ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে। রাগের মাথায় সে তার সামনে এসে পড়া প্রায় সব মানুষকেই পিষে মেরে ফেলেছে। হাতিটির উপর বর্তমানে নজর রাখছেন বনদপ্তর আধিকারিকরা। বন দপ্তরের আধিকারিকদের মতে, হাতিটির বয়স বড়জোর ১৫-১৬ বছর।

আঞ্চলিক বন আধিকারিক সতীশ চন্দ্র রাইয়ের বক্তব্য অনুসারে, দলের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহারের কারণে কিংবা অন্য পুরুষ হাতির সঙ্গে লড়াইয়ে হেরে গিয়ে দল থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে হাতিটিকে। তার পরেই তার আক্রোশ আরো বেড়ে গিয়েছে। বর্তমানে হাতিটির গতিবিধির উপর নজর রাখা হচ্ছে। বন দপ্তরের ২০ জন আধিকারিক সর্বদা হাতিটির উপর নজর রাখছেন। হাতিটিকে এবং তার আক্রমণের হাত থেকে মানুষকে রক্ষা করাই এখন বন দপ্তরের আধিকারিকদের কাছে প্রধান চ্যালেঞ্জ।

বনদপ্তরের আধিকারিকরা অবশ্য জানাচ্ছেন, রাস্তায় চলাচল করা মানুষ যখন তার সামনে এসে পড়েছে কিংবা কেউ যদি তাকে বিরক্ত করার চেষ্টা করেছে তখনই হাতিটি তার উপর আক্রমণ চালিয়েছে। হাতিটি অবশ্য নিজে থেকে কারোর ওপর আক্রমণ চালায়নি কিংবা কোনো ক্ষয়ক্ষতি করেনি। এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক করা হয়েছে যেন তারা ওই হাতিটির ধারে-কাছে না যান।