পরীক্ষা বা’তি’ল হওয়ার কারণে মা’ন’সি’ক অ’ব’সা’দে আ’ত্ম’ঘা’তী দিনহাটার মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী

জীবনের সবথেকে বড় পরীক্ষা বলে আমরা মনে করি মাধ্যমিককে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতির জন্য চলতি বছরে সরকার বাতিল করে দিল মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা। স্বাভাবিকভাবেই এই পরীক্ষা বাতিলের কথায় আনন্দ পেয়েছে বেশ কিছু মানুষ। কিন্তু এমন অনেক ছাত্র-ছাত্রী আছে যারা পরীক্ষা বাতিল হওয়ার খবর পেয়ে ভীষণ ভাবে ভেঙে পড়েছে। সম্প্রতি কোচবিহার দিনহাটা আটিয়াবাড়ী আম্বানি বাজারের বাসিন্দা এক কিশোরী খবরে মাধ্যমিক পরীক্ষা না হবার কথা শুনে আত্মঘাতী হলেন। পড়াশোনায় বেশ ভালই ছিলেন তিনি। নিজের জীবনের সমস্ত স্বপ্ন হয়ে যেতে দেখে আত্মঘাতী হবার রাস্তা বেছে নিলেন তিনি।

কিশোরীর নাম বর্ণালী বর্মন। বয়স মাত্র ১৬ বছর। চলতি বছরে মাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল তার। সেই মতো প্রস্তুতি নিচ্ছিল সে। কিন্তু যখন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিলেন যে, চলতি বছরের মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা নেওয়া হবে না, যখন নাবালিকা ভীষণভাবে অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েছিল। নাবালিকার পরিবারের দাবি অনুযায়ী, খবর পাওয়া মাত্রই ভীষণভাবে অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়ে বর্ণালী। সকলের সঙ্গে সেই ভাবে কথা ও বলছিলো না সে।

রাতে খাবার সময় পরিবারের সদস্যরা যখন তাকে ডাকাডাকি করে সাড়া পায় না, তখন তার দরজা ভেঙে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছে বর্ণালীর ঝুলন্ত দেহ। পরিবারের দাবি অনুযায়ী, দেহের পাশ থেকে একটি নোট উদ্ধার করা হয়েছে। যেখানে লাল কালি দিয়ে লেখা ছিল যে, তোমার সব কাজের দায়িত্ব নিতে পারলাম না বাবা। নাবালিকার মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছেন তার পরিবারের সকলে। দেহটি ইতিমধ্যেই ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়ে দিয়েছে পুলিশ।