পাগড়ি খোলা কাণ্ড নিয়ে রাজভবনে দিল্লির শিখ প্রতিনিধি দল, অভিযুক্ত পুলিশের শস্তির দাবি

বৃহস্পতিবার বিজেপির নবান্ন অভিযানের সময় বিজেপির যুব মোর্চার রাজ্য কমিটির সদস্য প্রিয়াংশু পান্ডের দেহরক্ষী বলবিন্দরের পাগড়ী খুলে যাওয়া নিয়ে জোর রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। শিখ সম্প্রদায়ের মানুষের অভিযোগ, ঐদিন পুলিশ যেভাবে বলবিন্দরের পাগড়ী টেনে-হিঁচড়ে খুলে দিয়েছে, তাতে শিখ সম্প্রদায়ের মানুষের ধর্মীয় ভাবাবেগ ক্ষুন্ন হয়েছে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে কড়া শাস্তির দাবি জানাচ্ছেন তারা।

এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রবিবার দিল্লি থেকে শিখ প্রতিনিধিদের একটি দল কলকাতায় আসেন। দিল্লি শিখ গুরুদোয়ারা ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভাপতি মনজিন্দর সিং সিরসা এদিন রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের এর সঙ্গে দেখা করেছেন বলে জানা গেছে। বলবিন্দরের প্রতি রাজ্য পুলিশের আচরণ সম্পর্কে রাজ্যপালকে তারা একটি দুই পাতার চিঠিও দিয়েছেন।

তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, রাজ্য সরকার বা পুলিশের শীর্ষ আধিকারিক যেন অভিযুক্ত ওই পুলিশকর্মীকে আড়াল করার চেষ্টা না করেন। ওই পুলিশকর্মী বিরুদ্ধে যেন অবিলম্বে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। শিখ ধর্মীয় সংগঠনের প্রধান মনজিন্দর সিং সিরসা এদিন ঘটনা প্রসঙ্গে রাজ্য স্বরাষ্ট্র সচিবের বক্তব্যের সমালোচনা করে বলেন, এ রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব ঘটনাকে সমর্থন করেছেন। এটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

তার প্রশ্ন, স্বরাষ্ট্র সচিবের বক্তব্য অনুযায়ী আইন মেনেই বলবিন্দরের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। শিখ ধর্ম সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তির পাগড়ী খুলে নেওয়া, তার চুল ধরে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া এটা কোন আইন সংগত? তিনি আরো বলেন, যারা বলবিন্দরের সঙ্গে এহেন আচরণ করে শিখ ধর্ম সম্প্রদায়ের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত হেনেছে, তাদের বিরুদ্ধে ২৯৫ ধারায় মামলা  হওয়া উচিত।