ক’রো’না’র মা’র, ক’র্ণা’ট’কে ১৪ দি’নে’র পূ’র্ণা’ঙ্গ ল’ক’ডা’উ’ন, জা’নু’ন বি’স্তা’রি’ত

করোনার গ্রাসে কর্ণাটক। রাজের করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে তাই এবার দিল্লির অরবিন্দ কেজরিওয়ালের প্রশাসনের মত বিএস ইয়েদদুরাপ্পার প্রশাসনও লকডাউনের পথে হাঁটল। ২৭ এপ্রিল রাত ৯টা থেকে ১৪ দিনের জন্য অর্থাৎ দুই সপ্তাহ টানা লকডাউনের নির্দেশ দিয়েছে কর্নাটকের প্রশাসন। তবে অত্যাবশ্যকীয় জিনিসপত্র বেচা-কেনার ক্ষেত্রে অবশ্য ছাড় রয়েছে।

প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে ১০টা পর্যন্ত দোকান বাজার খুলে রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এরপর প্রতিটি দোকান বাজার বাধ্যতামূলকভাবে বন্ধ করে দিতে হবে। রাজ্যের গন পরিবহন ব্যবস্থাও এই দুই সপ্তাহ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে। বর্তমানে কর্নাটকের দৈনিক প্রায় ৩৪ হাজার ৮০৪ জন মানুষ করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন। দক্ষিণের এই রাজ্যে এই মুহূর্তে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৩ লক্ষ ৩৯ হাজার ২০১ জন।

সমগ্র দেশে নিরিখে তৃতীয় করোনা বিপর্যস্ত রাজ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে কর্নাটককে। তাই রাজ্য সরকার আর বেশি দেরি না করে লকডাউনের পথে হাঁটল। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২১ শেএপ্রিল থেকে ৪ঠা মে পর্যন্ত রাত ন’টা থেকে সকাল ছ’টা পর্যন্ত নাইট কার্ফু জারি করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল কর্ণাটক সরকার। তবে রাজ্যে বর্তমানে লকডাউনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছে কর্নাটকের প্রশাসন।

এদিকে দিল্লির করোনা পরিস্থিতিও ভয়াবহ। গত সপ্তাহের পর এই সপ্তাহেও লকডাউন জারি করেছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের প্রশাসন। এবার দিল্লির মতই ১৪ দিনের লকডাউন এর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করল বিএস ইয়েদদুরাপ্পার প্রশাসন।