ক’রোনায় দশ হাজার গুণ বেশি মৃত্যু হয়েছে চিনে, হিসেব লুকানো নিয়ে ফের তোপ ট্রাম্পের

করোনা সংক্রমণের জেরে নাজেহাল বিশ্ব। দীর্ঘ একশো বছর পর এই‌ ভাইরাসের সংক্রমণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জনজীবন ব্যাহত হয়েছে। যেহেতু চীনের উহান প্রদেশে প্রথম এই ভাইরাসের প্রভাব লক্ষ্য করা গিয়েছিল, তাই প্রাথমিকভাবে চীনকে ভাইরাসের উৎস হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, চীনের বিরুদ্ধে তথ্য গোপন করার অভিযোগও উঠেছে।প্রথম থেকেই চীনের প্রতি বেজায় ক্ষুব্ধ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

সম্প্রতি, একটি বৈঠকে ভাষণ দিতে গিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের প্রতি সরাসরি অভিযোগ তুলে বললেন, করোনা আক্রান্ত হয়ে চীনে কতজন ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে তা বেমালুম চেপে গিয়েছে চীন। ট্রাম্পের দাবি, চীন সেদেশে করোনায় মৃতের যে সংখ্যা প্রকাশ করেছে, বাস্তবে তার দশ হাজার গুণ বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। শুধুমাত্র, বিশ্বের কাছে গোপন করার জন্যই মৃতের সংখ্যায় কাটছাঁট করেছে চীন।

উল্লেখ্য, গত বছরের ডিসেম্বর মাসে প্রথম বিশ্ববাসী জানতে পারেন। চীনের উহান প্রদেশে করোনার প্রকোপ মহামারীর আকার ধারণ করেছে। তারপর বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়তে থাকে করোনা। কিন্তু বর্তমানে চীনের অবস্থা স্থিতিশীল। এখন অন্যান্য দেশের তুলনায় করোনা পরিস্থিতি সামলে উঠেছে চীন। চীনের তরফ থেকে প্রকাশিত বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, করোনার প্রভাবে সে দেশে মোট ৪৭২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

চীনের এই দাবি মানতে নারাজ মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তার পাল্টা দাবি, চীন যে তথ্য প্রকাশ করেছে তা সর্বৈব মিথ্যা। প্রেসিডেন্ট এও বলেন, চীনের রিপোর্ট অনুযায়ী দেশে মাত্র ৬ শতাংশ বাসিন্দার মৃত্যু করোনার কারণে ঘটেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু বাকিদের মৃত্যু কিভাবে হল, সে সম্পর্কে কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা নেই। তিনি আরো জানিয়েছেন, বর্তমানে চীনে বহু মানুষ ফুসফুসের সংক্রমণ, হার্ট অ্যাটাক ডায়াবেটিস, কিডনি সমস্যাজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেছেন। এগুলোও কিন্তু করোনা সংক্রমণেরই প্রত্যক্ষ উপসর্গ।