ক’রো’নার কারণে প্রভাব পড়েছে শুক্রাণুতে, কমেছে কর্মক্ষমতা, নাও হতে পারেন “বাবা”, জানালো সমীক্ষা

তাই এক বছর হয়ে গেল আমাদের ওপর প্রভাব বিস্তার করেছে করোনা নামক মহামারী। এই মুহূর্তে বলে এখন পর্যন্ত সারা বিশ্বে এই মহামারীর কবলে মৃত্যু হয়েছে প্রায় কয়েক কোটি মানুষের। আস্তে আস্তে সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে গেলেও বিদেশে এখনো পর্যন্ত কিছু কিছু জায়গায় লকডাউন চলছে। ভারতবর্ষের মত দেশে স্বাস্থ্যব্যবস্থা অনেকটাই ভেঙে পড়েছে। এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে নিউ নরমাল লাইফ। হাটে বাজারে, অফিস কাচারীতে বেরিয়ে পড়েছেন মানুষেরা। সুখবর একটাই, এরই মধ্যে প্রথম শ্রেণীর মানুষের মধ্যে দেওয়া শুরু হয়ে গেছে করোনার ভ্যাকসিন। সকলেই আশাবাদী যে, খুব তাড়াতাড়ি আমরা লড়াই করতে পারব এই মহামারী সঙ্গে। তবে আজ কথা বলব যারা ইতিমধ্যেই করোনা নামক মহামারীর শিকার হয়েছেন। এই মহামারী যে শুধুমাত্র শ্বাসতন্ত্রের প্রভাব বিস্তার করে, তা কিন্তু নয়।

এই মহামারীর ফলে শরীরে অনেক রকম সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। এই মহামারীর ফলে আপনার জিভ আলসার হতে পাড়ে, সারা শরীরে এলার্জির মতো বেরিয়ে যেতে পারে। তবে এর মধ্যেই যে আশঙ্কার কথা শুনিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা, তা শুনে এক মুহূর্তের জন্য আপনিও হতবাক হয়ে যেতে পারেন। কোন পুরুষের যদি করোনা হয় তাহলে, অদূর ভবিষ্যতে তার শুক্রাণুর কর্ম ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। হ্যাঁ এমনটাই শোনা গেছে সম্প্রতি একটি গবেষণার মাধ্যমে। এই গবেষণায় উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। গবেষকরা দাবি করেছেন যে, একবার করো না হলে পুরুষদের শুক্রাণুর কর্মক্ষমতার অনেকটাই কমে যাচ্ছে। এর ফলে সন্তান জন্ম দেবার জন্য সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে ভবিষ্যতে বহু মানুষকে।

গবেষণায় জানা গিয়েছে যে, করোনাভাইরাস নষ্ট করে দিচ্ছে শুক্রাণুর কর্ম ক্ষমতা। সন্তান জন্ম দেবার জন্য একজন পুরুষের শরীর থেকে যে পরিমাণ হরমোন নিঃসরণ হওয়া উচিত, তার অনেকটাই কমে যাবে এরপর। ১০ দিনের ব্যবধানে ৬০ দিন ধরে ৮৪ জন পুরুষের ওপর সমীক্ষা চালানো হয়েছিল। তাদের পাশাপাশি আরও কিছু পুরুষদের রাখা হয়েছিল যাদের এখনও পর্যন্ত করোনা হয়নি। সুস্থ মানুষের শুক্রাণু নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পাশাপাশি রাখার পর বোঝা যায় যে, করণা আক্রান্তের শরীরে কেমিকাল ইমব্যালেন্স সহ একাধিক সমস্যা তৈরি হয়ে গিয়েছে। এই সমস্যা শহীদের ডিএনএ প্রোটিন কে নষ্ট করে দিচ্ছে। এর ফলে শুক্রাণুর গুণগতমান অনেকটাই কমে যাচ্ছে। ভ্যাক্সিনেশন এসে গেলেও সংক্রমণ মানুষের নতুন একটি চিন্তার জন্য রাতের ঘুম আসছে না।