যোগীকে ফোন মোদীর, রাতারাতি গণধ’র্ষিতা তরুণীর দেহ সৎকার নিয়ে শুরু বিতর্ক

দীর্ঘ দুই সপ্তাহের কঠিন লড়াই শেষ। হাথরাসের সেই দলিত গণধর্ষিতা তরুণীর দেহ ফিরে এলো তার গ্রামে। মঙ্গলবার রাত ১২টা নাগাদ পুলিশের তত্ত্বাবধানে ওই তরুণীর দেহ বুলাগারি গ্রামে নিয়ে আসা হয়। হাথরাসের এসপি বিক্রান্ত বীর জানিয়েছেন, বুধবার ভোর তিনটে নাগাদ পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে তরুনীর শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়েছে। এদিকে, ওই তরুণীর গণধর্ষণ এবং মৃত্যু নিয়ে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সাথে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

সম্প্রতি, মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের দপ্তর থেকে একটি টুইট বার্তায় এই খবর প্রকাশিত হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে ওই তরুণীর পরিবারের তরফ থেকে অভিযোগ করা হয়, পরিবারের সদস্যদের বিনা অনুমতিতেই নাকি তরুনীর শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে চাইছে পুলিশ। গ্রামবাসীরা দাবি করেন, গভীর রাত্রে দেহ দাহ করার রেওয়াজ নেই। হাথরাসের জেলাশাসক জানালেন, ওই তরুণের বাবা এবং দাদার কাছ থেকে অনুমতি নিয়েই বুধবার ভোরে শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার রাত ১২টা ৪৫ মিনিট নাগাদ তরুনীর অন্তোষ্টিক্রিয়া শুরু হয়। ২টো ৩০মিনিট পর্যন্ত পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের উপস্থিতিতে তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া চলে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা নাগাদ তরুণী দেহ নিয়ে গ্রামে পৌঁছায় পুলিশ। এরপর গ্রামবাসীরা তরুনীর দেহ তার বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার দাবি তোলেন। অপরদিকে পুলিশের তরফ থেকে দ্রুত সৎকার্য সম্পন্ন করার জন্য চাপ দেওয়া থাকে। ফলে ওই সময় এলাকায় কিছুটা উত্তেজনার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।

পরে অবশ্য গ্রামের শ্মশানেই তার শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়। উল্লেখ্য, হাথরাসের ঘটনায় দেশ জুড়ে তীব্র বিক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এই মামলা তদন্তের জন্য উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ইতিমধ্যেই তিন সদস্যের একটি বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করেছেন। পাশাপাশি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে অপরাধীদের বিরুদ্ধে ফাস্ট ট্রাক কোর্টে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন আদিত্যনাথ।