ভুটানের জায়গায় চীনের গ্রাম, তবুও কিছুই বলছে না ড্রাগনের দেশ!

ভারত-নেপালের পর এবার ভুটান। চীনের পররাষ্ট্রের ভূখন্ড আগ্রাসনকারী মনোভাব এখনো অব্যাহত। সম্প্রতি, তারই নমুনা দেখা গেল ভুটানের সীমান্ত থেকে অন্তত দু কিলোমিটার ভেতরের ভূখণ্ডে, যেখানে চীন এক নতুন গ্রাম তৈরি করেছে। তবে আশ্চর্যজনকভাবে, ভুটান সরকারের তরফ থেকে এ বিষয়ে টু শব্দটিও করা হয়নি। নিশ্চুপ চীনও। তবে এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসায় বিশ্বের অন্যান্য রাষ্ট্রগুলিতে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

সম্প্রতি চীনেরই এক সাংবাদিক শেন শিওই ট্যুইট করে বিষয়টি জনসমক্ষে আনেন। তারপর থেকেই আন্তর্জাতিক মহল এবং ভারতীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের দপ্তরে বিষয়টি নিয়ে জোর তরজা শুরু হয়েছে। চিনা সাংবাদিকের দাবি, ভুটান সীমান্ত থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার ভিতরের চীন একটি নতুন গ্রাম তৈরি করেছে। ভুটানের ভূখণ্ডে নির্মিত চীনের নতুন গ্রামের নাম রাখা হয়েছে প্যাঙ্গদা। তবে বিষয়টি নিয়ে চীন অথবা ভুটানের তরফ থেকে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

উল্লেখ্য, ইতিপূর্বে ২০১৭ সালে ভারত এবং ভুটান সীমান্তে অবস্থিত ডোকলাম এলাকায় ঢুকে পরে চীনা সেনা। সে সময় অবশ্য ভারতের পাশাপাশি ভুটানও চীনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিল। বর্তমানে যে নতুন গ্রামটিকে ঘিরে বিতর্ক দানা বেঁধেছে, সেই গ্রামটি চীন-ভুটান-ভারতের সীমান্তবর্তী ডোকলাম এলাকা থেকে মাত্র নয় কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ফলে চীনা কার্যকলাপে স্বভাবতই ডোকলাম নিয়ে ভারতের উদ্বেগ আরও বাড়লো।

বিশিষ্ট চীনা সংবাদমাধ্যম CGTN এর সাংবাদিক শেন শিওই তার টুইট বার্তায় চীনের তৈরি নতুন প্যাঙ্গদা গ্রামের একটি ছবি দিয়ে খবরটি প্রকাশ করেন। কিন্তু পরে তিনি সেই টুইট মুছে ফেলেন। তবে তার মধ্যেই বিতর্ক শুরু হয়ে গিয়েছে। সূত্রের খবর, ভুটান ভূখণ্ডের যে অংশটিকে ঘিরে বিতর্ক দানা বাঁধছে সেটি পশ্চিম ভুটানের হা জেলার অন্তর্ভুক্ত। তবে ভুটানের কোনো সংবাদ মাধ্যমে এ সংক্রান্ত কোনো রিপোর্ট নেই। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ভুটানের নিষ্ক্রিয়ভাব ভারতকে বেশ ভাবাচ্ছে।