সীমান্তে নেপালের প্রতিনিধি দলের উপর হামলা চিনের, সব জেনেও চুপ ওলি!

চীনা আগ্রাসনের আঁচ এসে পড়েছে বন্ধুরাষ্ট্র নেপালের উপর। তবে এ বিষয়ে নির্বিকার নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি। রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন, নেপালে নিজের ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য অলির চীনের সহায়তা প্রয়োজন‌। তাই চোখের সামনে নেপালের ভূখণ্ড চীনের দখলে চলে যেতে দেখেও কোনো প্রতিবাদ করছেন না তিনি। দেশবাসীর উদ্দেশ্যে মিথ্যে আশ্বাস দিচ্ছেন, এমনকি বিষয়টি যাতে পাঁচ কান না হয় সেজন্য সাংবাদিক খুন করতেও দ্বিধা করছেন না তিনি!

ভারতীয় সীমান্ত দখলের প্রচেষ্টা চালানোর পাশাপাশি বিগত বেশ কয়েক মাস ধরে নেপাল-চীন সীমান্তে অবস্থিত হুমলা জেলার নামখা গ্রামেও ঘাঁটি গেড়ে বসেছে চীনের লাল ফৌজ। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নেপালের ভূখণ্ডে প্রবেশ করে নির্মাণকার্য চালাচ্ছে তারা। করে তুলছে বড় বড় ইমারত। তবে বাসিন্দাদের এই দাবি মানতে নারাজ নেপালের প্রশাসন। অলির পাল্টা দাবি, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। নেপালের ভূখণ্ড দখল করেনি চীন।

তিনি এও দাবি করেছেন সরকারি আধিকারিকেরা ওই এলাকা পরিদর্শন করে চীনের নির্মাণ কার্যের কোনো নমুনা খুঁজে পাননি। তবে অলি যাই বলুন না কেন, এবার খোদ সরকারি প্রতিনিধিকে লক্ষ্য করে কাঁদানে গ্যাস ছুঁড়ে মারলো চীনে ড্রাগনের দল। শনিবার, সীমান্ত পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে নেপালি কংগ্রেসের নেতা জীবন বাহাদুর শাহের নেতৃত্বাধীন একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যায়।

তাদের লক্ষ্য করেই টিয়ার গ্যাস ছোঁড়ে চীনা সেনা। এই ঘটনায় নামখা পুরসভার ভাইস-চেয়ারম্যান পেনা লামার চোখে আঘাত লাগে। তিনি জানিয়েছেন, চীন নেপাল সীমান্তে অবস্থিত পিলারগুলি পরিদর্শন করার সময় নয় নম্বর পিলারের দিকে এগোতেই হামলা করে চীনের লাল ফৌজ। এতে তার চোখ সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো চুপ অলি প্রশাসন।