তেলে বেগুনে জ্বলে উঠেছে চিন! লাদাখ ভারতের অংশ না, মন্তব্য চিনের

লাদাখ নিয়ে এখন দেখা যাচ্ছে দিনের পর দিন উত্তাপ বেড়েই চলেছে কোনো ভাবেই শান্ত হবার নয়। কিছুদিন আগেই মার্কিন সচীব মাইক পম্পেও জানিয়েছিলেন ৬০,০০০ সেনা মোতায়েন করেছে চিন, লাদাখ সীমান্তে। এবার চিন সেই কথার ঠিক তিনদিন পরেই একবিশাল তোপ দাগল লাদাখ নিয়ে যেটা কখনোই মেনে নেওয়া যায় না।

চিন জানিয়েছে লাদাখ কখনই ভারতের অংশ না আর তার ফলেই আমরা লাদাখকে ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল বলে মান্যতা দেব না । এই নিয়ে চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ঝাও লিঝিয়ান জানিয়েছেন, ভারত সীমান্তে যেভাবে পরিকাঠামো গত বৃদ্ধি করে যাচ্ছে সেটা দুই দেশের জন্যই ক্ষতিকারক। তবে লাদাখ যেটা ভারত নিজেদের কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল বলে দাবি করে সেটা চিন কখনই মান্যতা দেয় না এমনকি অরুণাচল প্রদেশকেও ভারতের বলে মান্যতা দেয় না চিন।

এদিকে সোমবার ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং ৪৪ টি সেতু উদ্বোধন করেছেন চিন ও পাকিস্তানের সীমান্তে। যা দেখে অনেকটাই ক্ষুব্ধ চিন। এদিকে অরুণাচল ও লাদাখে ভারত ৮ টি সেতু তৈরী করেছে যার ফলেই চিন আরো তেলে বেগুনে জ্বলে উঠেছে। চিন জানিয়েছে সীমান্ত ঝামেলা কম করতে চাইলে ভারতকে এই সব কাজ বন্ধ করতে হবে, এতে সীমান্ত ঝামেলা আরও বৃদ্ধিই হবে। যেটা দুই দেশের পক্ষে ক্ষতিকারক।

গত সোমবার ভারত চিন সপ্তম দফায় বৈঠক শুরু হয়েছিল যেখানে দুই দেশ সমাধানের চিন্তা ভাবনায় এগিয়েছিল, কিন্তু সূত্রের মাধ্যমে জানা গেছে ভারত অচলাবস্থা দূর করার লক্ষ্যে থাকলেও এখন চিন তার একেবারে বিপক্ষে। তারা আজব প্রপ্তাব রেখেছে বলেই জানা গেছে, ভারত চিনের কাছে দাবি করেছে যে মাসের অবস্হানে ফিরতে হবে চিনকে, আর প্যাংগং লেকের ফিঙ্গার ৮ এ ফিরে যেতে হবে তাদের, যেটা চিন মেনে নিয়েছে কিন্তু ভারতের নাকি ফিরে যেতে হবে, ও সেনা পড়াতে হবে ট্যাগিং লেকের ফিঙ্গার ফোর থেকে ফিঙ্গার দুই এর দিকে। কিন্তু কেনো এটা নিয়েই বিশেষজ্ঞরা দায়ী করেছে ৩৭০ ধারাকে।