ছোট পুরুষাঙ্গ নিয়ে জন্মাচ্ছে শিশুরা, সাম্প্রতিক গবেষণায় ঘুম উড়েছে পুরুষ সমাজের

গতবছর করোনার জন্য আমরা সকলেই হয়েছিলাম গৃহবন্দী। পরিবেশ দূষণের মাত্রা অনেকটাই কমে গিয়েছিল এক ধাক্কাতে। কিন্তু নিউ নরমাল লাইফে ফিরে আসার পর দূষণের মাত্রা মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে যাচ্ছে। কোনভাবেই রাশ টানা যাচ্ছে না। ফলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পড়ে যাচ্ছে বিপদে। জীব বৈচিত্রের পাশাপাশি ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হয়ে যাচ্ছে মানুষের অঙ্গ প্রত্যঙ্গের বিভিন্ন ক্রিয়া। সম্প্রতি একটি গবেষণায় যে তথ্য উঠে এসেছে, তাতে করে রীতিমতো ঘুম উড়ে গেছে সকলের। গবেষণা অনুযায়ী যত দিন যাচ্ছে আরো ছোট হয়ে যাচ্ছে পুরুষাঙ্গের দৈর্ঘ্যতা। এক কথায় বলা ভালো, যে সমস্ত শিশুরা এখন জন্ম নিচ্ছে তারা ছোট পুরুষাঙ্গ নিয়েই জন্মগ্রহণ করছে।

পরিবেশ বিজ্ঞানী শানা সন তার নতুন বই কাউন্টডাউনে লিখেছেন যে, মনুষ্য জাতির অস্তিত্ব এখন সমূহ বিপদের মুখে দাঁড়িয়ে রয়েছে। বিভিন্নভাবে মনুষ্যজাতির বিপদ আসতে চলেছে। তার মধ্যে অন্যতম হলো, পুরুষাঙ্গের ছোট হয়ে যাওয়া। শুধুমাত্র পুরুষাঙ্গ ছোট হয়ে যাচ্ছে তা কিন্তু নয়, আস্তে আস্তে কমে যাচ্ছে প্রজনন ক্ষমতা এবং শুক্রাণু উৎপাদন ক্ষমতা ও।

কিন্তু কী কারণে এমন ঘটছে, জিজ্ঞাসা করাতে বিজ্ঞানী জানিয়েছেন যে, প্লাস্টিক এবং প্লাস্টিক জাতীয় দ্রব্য উৎপাদনের ফলে যে রাসায়নিক নির্গত হয় তাকে বলে phthalate। এই রাসায়নিক এন্ড্রোক্রাইন সিস্টেমকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। ফলে হরমোন প্রক্রিয়া অনেকাংশে বন্ধ হয়ে যায়।

এছাড়া জানা গেছে যে, এই রাসায়নিক প্লাস্টিক জাতীয় দ্রব্য কে নরম এবং ফ্লেক্সিবল করতে সাহায্য করে। এর ফলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পড়ে যাচ্ছে বিপদের মুখে। বিজ্ঞানী সমীক্ষা করে জানিয়েছেন যে, আধুনিক সভ্যতা শুক্রাণু উৎপাদন ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। পুরুষ এবং মহিলাদের সন্তান জন্ম দেওয়ার প্রক্রিয়ার ওপর ভীষণভাবে প্রভাব ফেলছে এই রাসায়নিক দ্রব্য।

বিজ্ঞানের গবেষণায় উঠে এসেছে, এ রাসায়নিক দ্রব্য সিনড্রোম সরাসরি মানব ভ্রূণকে ক্ষতি করে চলেছে। মায়ের গর্ভে শিশুর পুরুষাঙ্গ যথাযথ আকার পাচ্ছে না। এই ঘটনাটি পরে বাড়তে থাকলে একসময় অস্তিত্ব সংকটের মুখে পড়ে যেতে পারে সমগ্র মনুষ্য জগত।