৩৫ হা’জা’র ফু’ট উপরে মা’ঝ আ’কা’শে সন্তান প্র’স’ব, আ’জী’ব’ন বি’মা’ন খরচ ফ্রি শিশুটির

গত বছর থেকেই আমরা অনেকবার শুনেছি যে আকাশপথে অথবা রেলপথে জন্ম নিয়েছে সদ্যজাত। তেমনি আরো একবার একই রকম ঘটনা ঘটলো বিমানে। আরো একবার অবাক করা কান্ড সাক্ষী রইল গোটা ভারত বর্ষ। মধ্য গগনে জন্ম নিল এক সদ্যজাত। বিমান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন যে,হঠাৎ করে গর্ভবতী এক নারী নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রসব যন্ত্রণা শুরু হয়ে যায়। বিমানে কোন রকম ডাক্তার না থাকায় এবং আর কোন উপায় না পেয়ে গর্ভবতী মহিলার সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসেন ক্রু এবং অন্যান্য যাত্রীরা। যাত্রীদের মধ্যে দুজন ছিলেন প্রশিক্ষিত নার্স। তাদের সাহায্যে মাটি থেকে প্রায় ৩৫ হাজার মধ্য আকাশে জন্ম নিল এক শিশু।

বিমানটি যখন মুম্বাই পৌঁছান তখন, সদ্যোজাত এবং মাকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। আপাতত মা এবং শিশু দুজনই সুস্থ আছে বলে জানা গেছে। সফলভাবে শিশুটিকে পৃথিবীতে আনতে সহায়তার জন্য ওই যাত্রী এবং কেবিন ক্রু দের বিশেষ ভাবে ধন্যবাদ জানিয়েছেন জেট এয়ারওয়েজ।

এর আগে টার্কিশ এয়ারলাইন্স এ এমনই একটি ঘটনা ঘটেছিল। সেখানে ৪২ হাজার ফুট উঁচুতে একটি শিশুর জন্ম হয়েছিল। বেশিরভাগ এয়ারলাইন্স এর নিয়ম অনুযায়ী, গর্ভবতী নারীদের গর্ভধারণের ৩৬ সপ্তাহ হবার আগে পর্যন্ত বিমানে চড়ছে কোনো বাধা থাকে না। সেই ক্ষেত্রে গর্ভবতী নারীদের ডাক্তারের স্বাক্ষরসহ চিঠি দেখাতে হয় এবং দেখাতে হয় যে তিনি গর্ভধারণের পর কত সপ্তাহ পার করেছেন।

এক্ষেত্রেও গর্ভধারণের ঠিক সময়ের মধ্যেই বিমানে উঠে ছিলেন এই যাত্রী কিন্তু সময়ের আগেই তার প্রসব যন্ত্রণা শুরু হয়ে যায়। তবে এই সুখবরটি পাবার পর ওই কর্তৃপক্ষ ওই শিশুটির আজীবন বিনামূল্যে আকাশ ভ্রমণের সুযোগ সুবিধা করে দিয়েছে।