মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির ফুটবলপ্রেম, গো’প’ন ক’থা জানালেন দাদা অজিত ব্যানার্জি

বেশ কিছুদিন আগে ভোটের ফল প্রকাশ হলো এবং তার সাথে সাথে আমরা জানতে পারলাম যে তৃতীয়বারের জন্য বাংলার সিংহাসনে বসলেন মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে তার সম্পর্কে অনেক কিছু জানলেও একটি কথা হয়তো আমরা অনেকেই জানিনা। ফুটবলের প্রতি তার ভালোবাসা বরাবর। তাই হয়তো রাজ্যে বিভিন্ন জায়গায় যেকোনো ফুটবল ক্লাব কে অর্থ দিয়ে সাহায্য করতে চান তিনি। বহুবার রাজনৈতিক সভার শেষে দলের কর্মীদের হাতে ফুটবল ছোট দেখা যায় তাকে।

একবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই দাদা অজিত বন্দোপাধ্যায় বলেছিলেন যে, একটা সময় ছিল যখন কালীঘাট মিলন সংঘ অ্যালান লিগে খেলত। তখন ফুটবলারদের টিফিন কিনে দেবার মত সামর্থ্য ছিল না আমাদের। তাদের টিফিন দেবার জন্য রান্না করতেন আমার মা এবং সহযোগিতা করতেন আমার বোন। কখনো ছোলা গুড় আবার কখনো ভেজিটেবিল টু এই সমস্ত করে সাইকেলের পেছনে বেঁধে দিয়ে আমরা তাদের উৎসাহ দিতাম। এই কাজে কখনো আমার বোনের বিরক্তি দেখিনি।

মমতা প্রসংগে অজিত বাবু বলেন যে, ছোটবেলা থেকেই ফুটবলের প্রতি আমার বোনের ভালোবাসা অটুট। প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর ছোট ছোট ক্লাবগুলোকে ৫০ লক্ষ টাকার আর্থিক অনুদান দিয়েছেন তিনি। রাজ্যের ক্রীড়া এবং যুব কল্যাণের উদ্দেশ্যে প্রায় ৩০ কোটি টাকা নির্ধারিত করে রাখা হতো, যেটি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসার পর বেড়ে গিয়ে দাঁড়ায় ৭০০ কোটি টাকায়।

বহুবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে এই নিয়ে কটুক্তির সম্মুখীন হতে হয়েছিল কিন্তু তিনি কখনও এই নিয়ে মাথা ঘামাননি। পিকে বন্দোপাধ্যায় এবং চুনী গোস্বামীর মত মানুষকে অসুস্থতার হাত থেকে ফিরিয়ে এনেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে এত কিছু করার পরেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর নিজের কালীঘাট মিলন সংঘ কে কোন রকম অন্য চোখে দেখেন না। এমন কী কোন রকম টাকা দিয়ে সাহায্য করেন না। নিজে খোঁজ না নিতে পারলেও দাদার সাহায্যে খোঁজ নেন এই ক্লাবের। তাই আরো একবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে মুখ্যমন্ত্রীর আসনে দেখতে পেয়ে বেজায় খুশি বাংলার ক্রীড়ামহল।