বিবাহিত জীবন সুখি হবে কিভাবে? জানুন চাণক্যের নিদান

প্রাচীন ভারতীয় দার্শনিক তথা অর্থনীতিবীদ ছিলেন চাণক্য। তিনি ছিলেন অর্থশাস্ত্র গ্রন্থের রচয়িতা। চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের উপদেষ্টা এই চাণক্যের নীতি আজও আমাদের জীবনে সঠিক পথ প্রদর্শন করতে সাহায্য করে। আজ থেকে আড়াই হাজার বছর আগে তিনি যে কথা বলে গেছেন তা এই বিংশ শতকে দাঁড়িয়েও হুবহু মিলে যায় অনেকাংশে। আজকে জেনে নেওয়া যাক যে,আড়াই হাজার বছর আগে সুখী দাম্পত্য পেতে কি কি নীতি অবলম্বন করার কথা বলেছিলেন চাণক্য।

চাণক্য বলেছিলেন যে, একটি সুখী দাম্পত্য পেতে গেলে সেই সংসারে পুরুষ এবং মহিলার সমান অবদান থাকা উচিত। কোন একজনের যদি কোনো ত্রুটি বিচ্যুতি থেকে থাকে অন্য জনের কাজ তা সামাল দেওয়া।একে অন্যের পরিপূরক হয়ে একে অপরের ভুলত্রুটিগুলো সঠিক করে দেওয়াই হলো এক সুখি দম্পতির কাজ। চাণক্য আরো বলেছেন যে, বিয়ের আগে নিজের পরিবারের সঙ্গে তার স্ত্রীর সম্পর্ক কেমন তা আগে জেনে নিতে।একজন নারী তার নিজের মাতা-পিতা সঙ্গে যদি কখনো দুর্ব্যবহার বা ছলনা করতে পারে তাহলে সে ভবিষ্যতে কোনো দিনই বিশ্বাসযোগ্য হতে পারে না।

চাণক্য বলেন,পরিবারের অন্য কোন নারীকে নিয়ে শ্রী সঙ্গে কখনোই যেন আলোচনায় লিপ্ত না হয় পুরুষেরা। অন্য নারী নিয়ে আলোচনা কখনোই একজন নারী মেনে নিতে পারে না। অন্য নারী নিয়ে আলোচনা দাম্পত্য কলহ সৃষ্টি করতে পারে। চাণক্য এমন নারীর সঙ্গে বসবাস করতে মানা করেছেন যিনি ধর্মপরায়ণ নয়। ধর্মপরায়ণ না হলে সেই নারী কখনো সঠিকভাবে সংসারে কর্তব্য পালন করতে পারে না। তাহলে বলাইবাহুল্য, চাণক্যের এই যুক্তি সেই যুগের সাপেক্ষে পালনীয় হলেও আজ তা অনেকাংশেই প্রাসঙ্গিক নয়।তবে ধর্ম বা সংসার যে কোন ক্ষেত্রেই বিশ্বাসী এবং সৎ হওয়া অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।