চেয়ার-টেবিল তৈরি বরফে, বসে পান করুন কফি, দেশের প্রথম ইগলু বানানো হলো গুলমার্গে

পৃথিবীর স্বর্গ কাশ্মীর। শ্বেত শুভ্র বরফ, রঙিন ফুলের বাগান, স্বচ্ছ লেক সবই রয়েছে এই স্বর্গে। প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান হল এই কাশ্মীর। হয়তো কাশ্মীরের সৌন্দর্যে একটাই খুঁত থেকে গিয়েছিল। বরফের দেশ, অথচ ইগলু থাকবে না! বরফ দ্বারা নির্মিত বাসস্থান ইগলু, বরফ প্রেমীদের কাছে এক অন্যতম আকর্ষণীয় বিষয়। সেই আকর্ষণীয় চাহিদাও এবার পূরণ হলো। নেপথ্যে কাশ্মীরের এক বেসরকারি হোটেল ব্যবসায়ী ওয়াসিম শাহ ।

তিনি তার নিজের উদ্যোগে সম্পূর্ণ অভিনব এই প্রজেক্টটিকে বাস্তবায়িত করেছেন। কাশ্মীরের গুলমার্গে তিনি বানিয়ে ফেলেছেন ইগলু ক্যাফে। পর্যটকদের আকর্ষণ করতে এই বরফ দ্বারা নির্মিত ক্যাফেটি এক অন্যতম পর্যটনস্থল হয়ে উঠতে পারে বলে আশা করছেন ওই হোটেল ব্যবসায়ী। এখানে চরম শীতে কাশ্মীরের স্পেশাল কাহাওয়া চা থেকে শুরু করে গরম কফি, সবই পাবেন পর্যটনকারীরা।

ওয়াসিম শাহ নিজেও একজন পর্যটক। পৃথিবীর বহু দেশ ঘুরে দেখেছেন তিনি। সুইজারল্যান্ডে তিনি প্রথম এমন ইগলু ক্যাফে দেখেন। সেখান থেকেই এমন আইডিয়াটি তার মাথায় আসে। বরফের তৈরি বাড়ি তথা ইগলু নিয়ে আট থেকে আশি সকলেরই কিছু না কিছু ফ্যান্টাসি থাকেই। তাই বরফ দ্বারা নির্মিত ক্যাফেটিও পর্যটকদের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলে দেবে, এমনটাই আশা করেছিলেন ওয়াসিম শাহ।

পরিকল্পনা অনুযায়ী ২২ ফুট চওড়া এবং ১৩ ফুট লম্বা ইগলু ক্যাফে তৈরি করে নেন তিনি। বরফের এই রেস্তোরাঁটি বানাতে তার ১৫ দিন সময় লেগেছিল। এই রেস্তোরাঁতে একসঙ্গে ১৬ জন অতিথি আসতে পারবেন। উপত্যাকা অঞ্চলে ৩৭০ ধারা রদ এবং করোনা হামলার পর কাশ্মীরের পর্যটন ব্যবসা বেশ মার খেয়েছিল। পর্যটন কারীদের কাছে এক নতুন চমক হিসেবে তৈরি হয়েছে গুলমার্গের এই ইগলু ক্যাফে। এই ক্যাফেটি দেশ-বিদেশের পর্যটকদের কাছে বেশ আকর্ষণীয় হবে, এমনটাই মত ওই হোটেল ব্যবসায়ীর।