৩ কোটি কোভিড যোদ্ধাদের ভ্যা’ক’সিন দেওয়ার খরচ বহন করবে কেন্দ্র, দিতে হবে না রাজ্যকে: মোদি

ফাইল ফটো

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের অনুমোদন পাওয়া মাত্রই কেন্দ্রের তরফ থেকে বিবৃতিতে জানানো হয়েছিল, আসন্ন ১৬ই জানুয়ারি থেকেই দেশজুড়ে গণহারে টিকাকরণ কর্মসূচি শুরু হবে। এই কর্মসূচির প্রথম পর্যায়ে অন্তত তিন কোটি করোনা যোদ্ধাকে টিকা দেওয়া হবে। টিকা প্রদানের কোনো খরচই রাজ্য সরকারকে বহন করতে হবে না। সোমবার দেশের সকল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকের আয়োজন করে প্রধানমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছেন, দেশবাসীকে টিকাকরণের সকল খরচ বহন করবে কেন্দ্রীয় সরকার।

এদিনের ভার্চুয়াল বৈঠকে এই ঘোষণা করার পাশাপাশি করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে রাজ্য এবং কেন্দ্রের যৌথ লড়াইয়ের প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন তিনি। বৈঠকের শুরুতেই করোনার বিরুদ্ধে রাজ্য এবং কেন্দ্রের মিলিত লড়াইকে কুর্ণিশ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, “ভারতের যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামোর জয় হয়েছে। মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে রাজ্য কেন্দ্রের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সমানভাবে কাজ করেছে”।

পাশাপাশি এদিন প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে স্বদেশী টিকাকরণের গুরুত্বও তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, বিদেশ থেকে টিকা আমদানি করতে গেলে প্রচুর অর্থ খরচ হবে। ভারতের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সেই টাকা খরচের পক্ষে অনুকূল নয়। তুলনায়, দেশেই যে দুটি প্রতিষেধক তৈরি করা হয়েছে ( কো-ভ্যাকসিন এবং কোভিশিল্ড ) তা বিশ্বের অন্যান্য টিকার তুলনায় অনেক বেশি সাশ্রয়ী।

প্রধানমন্ত্রী এদিন টিকাকরণ কর্মসূচি সংক্রান্ত খুঁটিনাটি তথ্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সামনে তুলে ধরেন। তিনি জানিয়েছেন, কারা কখন টিকা পাচ্ছেন তা রিয়েল টাইমে “কো-উইন” অ্যাপ্লিকেশনে আপলোড করা হবে। পাশাপাশি, টিকা নেওয়ার পর রিয়েল টাইমে ডিজিটাল শংসাপত্রও প্রদান করতে হবে। করোনার পাশাপাশি এদিন দেশের নতুন সমস্যা বার্ড ফ্লু নিয়েও রাজ্যকে সতর্ক করেছেন প্রধানমন্ত্রী।