ব্রেকিং: কুনাল ঘোষের বাড়িতে এবার নি’জে’ই হা’জি’র রাজীব ব্যানার্জি

একুশের নির্বাচন শুরু হওয়ার আগে যেমন তৃণমূল শিবির থেকে একের পর এক কর্মী সদস্য এবং নেতারা বিরোধী বিজেপি শিবিরের উদ্দেশ্যে পা বাড়াচ্ছিলেন, নির্বাচন শেষে তারাই আবার পুনরায় পুরনো দলে ফিরতে ইচ্ছুক হয়ে পড়েছেন। তৃণমূলের বহু সদস্য ইতিমধ্যেই দলে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলের প্রাক্তন সদস্য মুকুল রায়কে দলে ফিরিয়ে নিয়েছেন।

এবার তৃণমূলের প্রাক্তন সদস্য তথা বিধানসভা নির্বাচনের মরসুমে বিজেপির নবাগত সদস্য রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়েও রাজনৈতিক মহলে উঠছে প্রশ্ন। বিশিষ্ট সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় নাকি আজ তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষের সঙ্গে দেখা করতে তার বাড়ি গিয়েছেন! এই খবর প্রকাশ্যে আসা মাত্রই রাজনৈতিক শিবিরে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে জোর তরজা শুরু হয়েছে।

প্রসঙ্গত, মুকুল রায়ের পাশাপাশি রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় সঙ্গেও যে বিজেপি শিবিরের দূরত্ব বাড়ছে একথা ক্রমশ বেশ স্পষ্ট হচ্ছে। সম্প্রতি রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা নিয়ে প্রকাশ্যেই বিজেপি শিবিরের বক্তব্যের বিরোধিতা করেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন কথায় কথায় দিল্লি আর ৩৫৬ ধারার “জুজু” দেখালে মানুষ তা ভালো ভাবে নেবেন না। রাজনীতির উর্দ্ধে উঠে কোভিড ও ইয়াসের দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার মানুষের পাশে থাকার বার্তাও দেন তিনি তার বক্তব্য মারফত।

প্রকাশ্যেই তৃণমূলের গুনগান করে তিনি বলেন, মানুষের বিপুল জনসমর্থন নিয়ে আসা নির্বাচিত সরকারের সমালোচনা ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধীতা করলে বাংলা মানুষ তা ভালো ভাবে নেবেন না। তার এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতেই কার্যত তাকে নিয়ে বিজেপি শিবিরের অভ্যন্তরে প্রশ্ন উঠতে থাকে। এরই মাঝে আবার তিনি তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষের সঙ্গে যোগাযোগ করলেন। রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন, মুকুল রায়ের মতো তাহলে এবার রাজীবও হয়তো ঘরে ফেরার পথ খুঁজছেন।