বাবা ও মা দুজনকেই দরকার বাচ্চার! তাই ডি’ভো’র্স হলেও বাবার নামে কো’নো খা’রা’প কথা বলি না: শ্রীলেখা

বর্তমান সমাজে যেভাবে বিবাহ বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটে চলেছে, সেখানে দাঁড়িয়ে সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শিশুরা। বাবা এবং মায়ের মধ্যে যেকোনো একজনকে বেছে নিতে বললে তাদের পক্ষে তা করা সম্ভব হয় না। সম্প্রতি বিবাহ বিচ্ছেদ নিয়ে কথা বললেন শ্রীলেখা মিত্র। আমরা সকলেই জানি স্পষ্ট কথা মুখের উপর বলতেই তিনি পছন্দ করেন। যদিও এই নিয়ে একাধিকবার সমালোচিত হতে হয়েছে তাকে। কিন্তু চিরকাল স্পষ্ট কথা বলে খবরের শিরোনামে আসতে দেখা যায় তাকে।

স্পষ্টবাদী হওয়ার জন্যই হয়তো দাম্পত্য জীবন সুখের হয় নি শ্রীলেখা মিত্রের। একটি মেয়ে হওয়ার পরেও বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যায় তাদের। কিন্তু বাবা-মা আলাদা থাকলেও সেই প্রভাব যাতে কোনোভাবেই মেয়ের উপর না পড়ে তার জন্য সবরকম চেষ্টা করেছেন শ্রীলেখা মিত্র। বাবার থেকে কখনো দূরে সরিয়ে রাখেন নি সন্তানকে। বিবাহবিচ্ছেদ প্রসঙ্গে শ্রীলেখা মিত্র জানান, আমি আমার মেয়ে কি একা মানুষ করিনা। অনেক সন্তান আছে বাবা মা রাজি থাকলে তার ভোগান্তি তাদের ভুগতে হয়। বাবা মায়ের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ায় পরবর্তীকালে সেই প্রভাব সন্তানের উপর পড়ে। আমার মেয়ের ক্ষেত্রে যাতে সেই জিনিস না হয় তার জন্য প্রথম থেকেই প্রস্তুত ছিলাম আমি।

নিজেদের মধ্যে বনিবনা না হওয়ার জন্য অভিনেত্রী স্বামীর থেকে সরে গেছেন। কিন্তু কখনোই সন্তানকে বাবার থেকে বঞ্চিত করেন নি। তাই শ্রীলেখার মেয়ে বাবার কাছে ও নিজের মতো থাকেন আবার মায়ের কাছেও থাকেন। তাই আজও সময় পেলে তারা একই সঙ্গে সময় কাটান এবং অফুরন্ত আনন্দ করেন। সন্তানের জীবনে বাবা এবং মায়ের সমান গুরুত্ব থাকে। তাই অভিনেত্রী কখনোই বাবার নিন্দে করেন না তার সন্তানের কাছে।

মেয়ে ছোট থাকাকালীন নিজেকে অভিনয় জগৎ থেকে সরিয়ে রেখেছিলেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। মেয়ে বড় হওয়ার পর আরও একবার কাজে ফিরে গেছেন তিনি। কিন্তু তার মধ্যেই সন্তানকে সব সময় সময় দেওয়ার চেষ্টা করেছেন তিনি। সন্তানের ভবিষ্যৎ যাতে নষ্ট না হয়ে যায় তার জন্য তার সামনে কখনোই স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া অশান্তি করেন নি অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। স্পষ্টবাদী হবার পাশাপাশি তিনি যে সমানভাবে বুদ্ধিমতী তা বেশ বোঝা যায় এই প্রতিবেদন থেকে।