বিদেশি মায়ের গর্ভে জন্ম, দেশপ্রেম নিয়ে রাহুল গান্ধীকে খোঁচা সাধ্বী প্রজ্ঞার

ভারতের কেন্দ্রীয় শাসক কে একসাথে লড়তে হচ্ছে অভ্যন্তরীণ শত্রু এবং বহিরাগতদের সাথে। লাদাখ সীমান্তে ভারত এবং চীন সংঘর্ষের পর থেকেই বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ আনছে কংগ্রেস সরকার। কেন্দ্রীয় সরকারের তহবিলে চীনের বিশাল অঙ্ক দান করা নিয়েও বিতর্ক বাধে। কংগ্রেস সরকারের এই আক্রমণ নস্যাৎ করতে তৎপর হয়েছে গেরুয়া শিবির। সেই তৎপরতায় এবার গা ভাসালেন বিজেপির ভোপালের সংসদ প্রজ্ঞা ঠাকুর। কংগ্রেসকে কটাক্ষ করতে গিয়ে তিনি শুধু রাহুল গান্ধী নয়, কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী কেও কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন।

এইদিন চাণক্যের মন্তব্য উদ্ধৃত করে প্রজ্ঞা সিং ঠাকুর বলেন যে,”চাণক্যের মত অনুযায়ী একমাত্র ভূমিপুত্র রা নিজেদের দেশকে রক্ষা করতে পারে। একজন বিদেশী মায়ের গর্ভে জন্মালে কখনো সে দেশপ্রেমী হতে পারে না”।প্রজ্ঞা সিং ঠাকুর এর প্রশ্ন,”কারো যদি দুই দেশের একইসঙ্গে নাগরিকত্ব থাকে, তাহলে তার মধ্যে কিভাবে দেশ প্রেম আসবে”?বিজেপি সাংসদ এর পরামর্শ অনুযায়ী,”কংগ্রেসকে আগে আত্মসমীক্ষা করা উচিত। তাদের দল নীতিহীন এবং আদর্শহীন”।

রাহুল গান্ধীর “আত্মসমর্পণ মোদী”র টুইটে র সমালোচনা এড়িয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও। সংবাদ সংস্থা এএনআই টিওআই একটি সাক্ষাত্কারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অভিযোগ তোলেন যে, ভারত-চীন সংঘাত হোক বা সংক্রমণ বৃদ্ধি,সবক্ষেত্রেই রাহুল গান্ধী কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনায় সরব হয়ে উঠছেন। দুটি ক্ষেত্রেই নাকি প্রধানমন্ত্রী আত্মসমর্পণ করেছেন, এমনটাই বলেছেন রাহুল গান্ধী।
কংগ্রেসের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন মোদির মন্ত্রিসভা র সেকেন্ড ইন কমান্ড অমিত শাহ। ইন্দো চীন সংকট নিয়ে সংসদে আলোচনা করতে রাজি সরকার, বিরোধীদের কাছে এমনটাই বার্তা পাঠান অমিত শাহ।

তিনি আরো বলেন যে,”ভারতবর্ষের সরকার যে কোনো রকমের দেশ বিরোধী কার্যকলাপ রুখতে সমর্থ। কিন্তু ভারতের এই সংকটের মুহূর্তে কংগ্রেস যে নিচু মনের পরিচয় দিচ্ছে, তা এড়িয়ে চলাই ভালো”। রাহুল গান্ধীর নাম না করেই তিনি বলেছেন,” তিনি এবং তার দল যে হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করছেন, তাতে ভারতের প্রতিদ্বন্দ্বী দল আরো শক্ত হচ্ছে। তিনি ভারতের শত্রুদের মদত দেওয়া বন্ধ রাখুন”, এই আবেদন করেছেন অমিত শাহ।