সেদ্ধ ডি’ম না’কি পো’চ? কোনটিতে পুষ্টিগুণ বে’শি? জেনে নিন

ডিম খেতে বেশি কম সব বয়সী সকল মানুষই ভালোবাসে। তবে ডিমের কুসুমে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি থাকায় ডিমের কুসুম অনেকটাই ক্ষতিকারক। তবে বর্তমানে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার মাধ্যমে জানা গিয়েছে যে ডিমের কুসুমে কোলেস্টেরল থাকলেও রক্তে কোলেস্টেরল মাত্র বাড়ায় না। ডিমে ফলেট, কোলিনিজের, ভিটামিন এ ভিটামিন ডি, ভিটামিন ই, লেটিইন, থাকে। তাই বলা যেতে পারে কুসুমসহ ডিম ক্ষতিকারক নয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে ডিম খাওয়ার পরে কলা লেবু টক দই এগুলো কখনোই খাবেন না। এগুলো আপনার জন্য ক্ষতিকারক হতে পারে। ডিম সিদ্ধ খাওয়া সবথেকে ভালো। এতে অনেক পুষ্টি গুণ থাকে এবং যখনই ডিম তেলে ভেজে খায় তখনই এতে ফ্যাট ও কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায়। যারা ওজন ঠিক রাখতে চান, বাড়াতে চান না তারা এবং হার্টের সমস্যা যাদের আছে তারা ডিমের পোঁচ থেকে বিরত থাকুন।তবে শিশুদের জন্য ডিমের পোঁচ অনেক স্বাস্থ্যকর। ডিমের ওমলেট রয়েছে নাইন্টি পার্সেন্ট ক্যালোরি। 6.8 গ্রাম ফ্যাট। দুই গ্রাম স্যাচুরেটেড ফ্যাট।

দশ পার্সেন্ট ফসফরাস রয়েছে সেদ্ধ ডিমে। রয়েছে 78 পার্সেন্ট ক্যালরি। 6.3% গ্রাম প্রোটিন। 5.3 গ্রাম ফ্যাট। 0.6% গ্রাম কার্বোহাইড্রেট। ওয়ান পয়েন্ট সিক্স পারসেন্ট গ্রাম স্যাচুরেটেড ফ্যাট। 12.10 পার্সেন্ট বি ভিটামিন। 9 পার্সেন্ট ফসফরাস। বিশেষজ্ঞদের মতে কখনও ফাটা বা ভাঙ্গা ডিম কিনবেন না। কারণ একটুখানিও ফাটা বা ভাঙা থাকলে তা থেকে ধুলোবালি বা জীবাণু সংক্রমণ ঘটতে পারে। ডিম ভালো রাখার জন্য ফ্রিজে রাখুন। ডিমের বাক্সে ডিমের সাদা অংশ তিন সপ্তাহ পর্যন্ত ভালো থাকে।