ব্লাড প্রেসার, মানসিক চাপ? ওষুধকে বলুন টাটা, বুনুন উল, নয়া সমীক্ষায় উঠে এলো তথ্য

আজকালকার যুবসমাজ বেশিরভাগ হাইপারটেনশনে ভোগে। চাকরির সমস্যা হোক অথবা প্রেমের সমস্যা,সবকিছুতেই বড় অল্পেই ভেঙে পড়ে আজকালকার যুবসমাজ। তাই বেশির ভাগ মানুষকে দ্বারস্থ হতে হচ্ছে মনের ডাক্তারের কাছে। সম্প্রতি বিলেতের একটি সমীক্ষা দাবি করেছেন যে, ভুল বললে ক্ষমা যেতে পারে যাবতীয় স্ট্রেস। কোন মানুষের যদি উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকে, তাহলে এর থেকে ভালো ওষুধ আর হয় না। কিন্তু বিলাদ এ সমীক্ষার অপেক্ষা করেন নি ভারতবর্ষের পরিচালক শিলাদিত্য মৌলিক। গত বছরই তিনি তার সিনেমা দিয়ে এই কথাটি প্রমান করে দিয়েছেন।

সমীক্ষা র সাথে ছবির কথা তুলনা আছে বৈকি।শিলাদিত্য বাবু তার সিনেমার দ্বারা মানুষকে দেখাতে চেয়েছেন যে একটি মেয়ের জীবনে সবথেকে বড় সমস্যা তার বিয়ে না হওয়া। শুধুমাত্র উলুকান্দি না পারার জন্য একটি মেয়ের বিয়ে আটকে যেতে পারে। এরপর সেই মেয়েটি যখন তার পিসির বাড়িতে গিয়ে উল বোনা শিখতে শুরু করলো, তখন তার মন হলে অনেক শান্ত। মেয়েটির পাশাপাশি সাম্য নামে একজন ব্লাড ক্যান্সার রোগীর জীবন কিন্তু পাল্টে দিলো শুধুমাত্র উল বোনা।

এতক্ষণে নিশ্চয়ই বুঝে গেছেন যে স্ট্রেস আর রক্তচাপের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে উল বোনা র। মন শান্ত হবার পাশাপাশি জব্দ হয় দ্রুত হৃদস্পন্দনের হারের সমস্যা। সম্প্রতি টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, বিলেতে একটি সমীক্ষা চালানো হয়েছিল ২,৩৭৯ জন মানুষের ওপর।তবে বিশ্বের কোন প্রান্তের মানুষের সঙ্গে এই সমীক্ষা করা হয়েছে তা এখনো জানা যায়নি।

সমীক্ষা চলাকালীন তাদের নিজের শখ মতো কাজ করতে বলা হয়েছিল।কাজ শুরুর আগে হাতের কব্জিতে বেঁধে দেয়া হয়েছিল একটি ব্যান্ড যা রক্তচাপ মাপতে পারে। কাজ শুরু হবার আগে একবার সকল মানুষের রক্তচাপ মেপে নেওয়া হয়েছিল। ফলাফল হিসেবে দেখা গেল যে, যে সকল মানুষেরা উল বোনা শুরু করেছিলেন, তাদের আস্তে আস্তে রক্তচাপ কমে গেছে। তারা একাগ্র মনোযোগ এর জেরে আরে স্বাভাবিক হয়েছে। আস্তে আস্তে তারা সুস্থ হয়ে উঠেছে। তাহলে আজকেই শিখে নিন উল বোনা,গাদা গাদা ওষুধ খাবার থেকে এটাই অনেক ভাল রাস্তা সুস্থ থাকার।