বক্সার জঙ্গলে ট্র্যাপ ক্যামেরায় ধরা পড়লো ব্ল্যাক প্যান্থার, উচ্ছাসে ভাসলো বনদপ্তর

ব্ল্যাক প্যান্থার! তথা কালো চিতা এখন আর শুধু কল্পনার আশ্রয়েই থেমে রইলো না। ব্ল্যাক প্যান্থার দেখার একমাত্র মাধ্যম এখন শুধু আর ছবি নয়, পর্যটকেরা চাইলে এই কালো চিতা এখন সরাসরি চাক্ষুষও দেখতে পাবেন। সৌজন্যে, আলিপুরদুয়ারে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প। অতীত দিনে এই ব্যাঘ্র প্রকল্পেই নাকি বেশ কয়েকবার দেখা পাওয়া গিয়েছে তার। বক্সার গহিন অরণ্যে অনেকেই কালো চিতা চাক্ষুষ দেখার দাবি করেছেন।

তবে এই বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীটির অস্তিত্বের প্রমাণ দিতে পারেননি কেউ। তবে এবার বক্সায় কালো চিতার অস্তিত্বের প্রত্যক্ষ প্রমাণ দিল বনদপ্তর। বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পে সত্যই ব্ল্যাক প্যান্থারের অস্তিত্ত রয়েছে তার প্রমাণ মিললো। গত দশ দিনে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের গহীন অরণ্যে বনদপ্তরের লাগানো ট্র্যাপ ক্যামেরায় তাদের একাধিক ছবি ধরা পড়েছে। বনদপ্তরের দাবি, একটি-দুটি নয়। একাধিক ব্ল্যাক প্যান্থার রয়েছে ওই জঙ্গলে।

শুক্রবার, বছরের প্রথম দিনেই বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের ক্ষেত্র অধিকর্তা শুভঙ্কর সেনগুপ্ত ছবিগুলি সোশ্যাল সাইটে তুলে ধরেন। ব্ল্যাক প্যান্থার গুলির বয়স অন্তত তিন থেকে চার বছরের মধ্যে। তিনি দাবি করছেন, একাধিক পর্যটক যারা বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের গহীন অরণ্যে গিয়েছেন তারাও ব্ল্যাক প্যান্থার দেখেছেন। তবে শুধু ব্ল্যাক প্যান্থার নয়। বন দপ্তরের ক্যামেরায় ভল্লুক এবং ক্লাউডেড লেপার্ডের ছবিও ধরা পড়েছে। তবে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের ব্ল্যাক প্যান্থারের উপস্থিতি জীব বৈচিত্র ক্ষেত্রে স্বভাবতই একটি মাইলফলক হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।