কৃষি আইনের সমর্থনে বিজেপির মিছিল নোদাখালীতে, অতর্কিত হামলা তৃণমূলের

কেন্দ্রের প্রণীত নতুন কৃষি আইনের বিরুদ্ধে উত্তাল দেশ। বিরোধীদের দাবি, কেন্দ্রের এই আইনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন দেশের গরীব কৃষক সম্প্রদায়। লাভবান হবে কেন্দ্রের আশ্রিত কর্পোরেট সংস্থাগুলি। এদিকে কেন্দ্রীয় শাসকদলের পাল্টা দাবি, বিরোধীরা ভারতীয় কৃষকদের ভুল বুঝিয়ে তাদের কেন্দ্রের বিরুদ্ধে উসকাচ্ছে। এই আইন কোনো ভাবেই কৃষকের স্বার্থের পরিপন্থী নয়। যে সকল দালাল এতদিন দালালি করে এসেছে, তাদেরই ক্ষতির সম্ভাবনা প্রবল। তাই তারা এই আইনের বিরোধিতা করছে।

দেশের প্রতিটি প্রান্তের কৃষক যাতে কেন্দ্রের প্রণীত নতুন কৃষি আইনের সুফল সম্পর্কে জানতে পারেন, সেই উদ্দেশ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে প্রতিটি রাজ্যের নেতাকর্মীদের নতুন কৃষি আইন ২০২০ এর স্বপক্ষে প্রচার চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেইমতো, শনিবার বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা দক্ষিণ ২৪ পরগনার ‌বজবজের নোদাখালিতে নতুন কৃষি আইনের প্রচার সংক্রান্ত মিছিল বের করেন।

তবে বিজেপির এই মিছিল চলাকালীন তৃণমূলের কর্মী সমর্থকদের বিরুদ্ধে মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের উপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল। বিজেপির অভিযোগ, এদিন বজবজ ১ নম্বর ব্লকের বাওয়ালি থেকে সত্যপীরতলার দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার সময় শখের বাজারের কাছে তাদের ওপর চড়াও হয় তৃণমূল। উভয়পক্ষের মধ্যে ইটবৃষ্টি হয়। এমনকি তৃণমূলের বিরুদ্ধে বোমাবাজিরও অভিযোগ তুলেছেন বিজেপি সমর্থকরা।

উল্লেখ্য, ওই দিনই পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়ায় সভা করছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। ঘটনার পর তৃণমূলের কড়া সমালোচনা করে একটি টুইট করে তিনি লিখেছেন, তৃণমূলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বিজেপির মিছিল রাখতে বোমাবাজি করেছে এবং গুলিও চালিয়েছে। শুধু তাই নয়, তৃণমূলের বিরুদ্ধে দোকানপাট লুট করা এবং মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের মারধর করার অভিযোগ তুলেছেন তিনি। এমনকি মহিলা কর্মীদের শ্লীলতাহানির করা হয়েছে বলেও দাবি করেছেন দিলীপ ঘোষ।