পুলিশের অনুমতি ছাড়াই মণীশ শুক্লার মরদেহ নিয়ে রাজভবনের দিকে বিজেপি, গণ্ডগোলের সম্ভাবনা!

টিটাগড়ের বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লার মৃতদেহ নিয়ে রাজভবনের উদ্দেশ্যে এগোলেন বিজেপি নেতা কর্মীরা। এদিকে কলকাতা পুলিশের তরফ থেকে বিজেপি নেতা কর্মীদের সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রয়াত বিজেপি নেতার মরদেহ নিয়ে ভবনের দিকে এগোনো যাবে না। বিজেপির কাছে কোনো এভাবে এগোনোর কোনো অনুমতি নেই। তবে, পুলিশের নির্দেশ অমান্য করেই এস এন ব্যানার্জি রোড ধরে রাজভবনের দিকেই এগোচ্ছে বিজেপি দলের কর্মী-সমর্থকরা।

উল্লেখ্য, সোমবার বিকেলে কলকাতার এনআরএস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রয়াত বিজেপি নেতার ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। অবশ্য, ময়নাতদন্তে দেরি হওয়া এবং হাসপাতাল থেকে মৃতদেহ রিলিজ না করতে চাওয়া নিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করতে থাকেন বিজেপি কর্মীরা। অবশেষে মৃতদেহ হাতে পেয়ে পুলিশের অনুমতি ছাড়াই রাজভবনের দিকে এগোতে শুরু করলেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা।

উল্লেখ্য, গতকাল রাত আটটা নাগাদ টিটাগড় থানার ঠিক সামনেই অজ্ঞাত পরিচয় দুষ্কৃতীর হাতে গুলিবিদ্ধ হন বিজেপি নেতা অর্জুন সিংয়ের একান্ত অনুগত মণীশ শুক্লা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও, হাসপাতালে প্রাণ ত্যাগ করেন তিনি। এরপর থেকেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠেন বিজেপি নেতৃত্বরা। পাশাপাশি রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধেও একাধিক অভিযোগ আনতে থাকেন তারা।

বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক কৈলাস বিজয়বর্গীয় স্বয়ং রাজভবনে গিয়ে বাংলার রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন। গতকাল রাতেই রাজ্যপাল অবশ্য মুখ্যমন্ত্রীকে এ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে একটি টেক্সট মেসেজ করে। পাশাপাশি, এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বিষদে জানার জন্য রাজ্য পুলিশের ডিজি বীরেন্দ্র ও স্বরাষ্ট্র সচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীকে রাজভবনে ডেকে পাঠান তিনি। এ সম্পর্কে তৃণমূলের অভিমত, রাজ্যপালের উস্কানিতেই বিষয়টিকে রাজনৈতিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে বিজেপি।